মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত কলমাকান্দা: সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, নদীগর্ভে বিলীন বিদ্যালয়ের ভবন শেষ বয়সে অমানবিক কষ্টে জীবন কাটছে বীরাঙ্গনা মনোরানী বেওয়ার, সরকারি সহায়তার আকুতি ​ ফতুল্লায় মধ্যরাতে পুকুরে বিষ! পানিতে ভাসছে আড়াই লাখ টাকার মরা মাছ রক্তাক্ত আর্জেন্টিনার হৃদয়, বিশ্বফুটবলের নতুন রাজা স্পেন! যুবদল সভাপতিকে ‘টাকা খোর’ বলে ফেসবুক পোস্ট, সোনারগাঁ বিএনপিতে তীব্র ক্ষোভ বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণ, বিদ্যুৎ না এলে ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি বরগুনায় ডিবির অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কমিউনিটি পুলিশিংয়ের নতুন কমিটি গঠন: অপরাধমুক্ত নারায়ণগঞ্জ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় শীতলক্ষ্যায় জাহাজে ডিবি পুলিশের অভিযান: ১৩’শ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ সড়কে নাসিকের নামে ‘নীরব চাঁদাবাজি’ জিম্মি পরিবহন চালকরা

শেষ বয়সে অমানবিক কষ্টে জীবন কাটছে বীরাঙ্গনা মনোরানী বেওয়ার, সরকারি সহায়তার আকুতি ​

রাহাদ হোসেন / ২০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

​মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশে যখন দেশের বীর সন্তানদের যথাযথ মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জয়গান গাওয়া হয়, তখন অবহেলা আর দারিদ্র্যের চরম শিখরে দাঁড়িয়ে জীবনের শেষ সময় পার করছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন নিশ্চিন্তপুর এলাকার ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মনোরানী বেওয়া। স্বামী হারানোর শোক, একমাত্র সন্তান হারানো আর্তনাদ আর চরম অর্থাভাব—সব মিলিয়ে এক বিষাদময় জীবন তার নিত্যসঙ্গী।

​১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল সময়ে পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন মনোরানী বেওয়ার স্বামী মনোরঞ্জন মন্ডল। স্বামীর মৃত্যুতে তখন ভেঙে পড়েছিল তরুণী মনোরানীর পৃথিবী। ২০ বছর বয়সী তার একমাত্র পুত্রসন্তানও বজ্রপাতে হারিয়েছে জীবন। আপনজন বলতে আজ তার পৃথিবীতে কেউ নেই।

​১৯৭২ সালে তৎকালীন সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাক্ষরিত “প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল” থেকে স্বামীর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২,০০০ টাকা অনুদান পেয়েছিলেন তিনি (চেক নং: সিএ ০১৩৫২৭)। সেই স্মৃতিটুকু আজও সযত্নে লালন করে আসছেন তিনি। তবে স্বাধীনতার ৫৬ বছর পেরিয়ে গেলেও, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার হিসেবে যে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সহায়তা পাওয়ার কথা ছিল, তার অনেক কিছুই আজও তার নাগালের বাইরে।

​বর্তমানে বয়সের ভারে ন্যুব্জ মনোরানী বেওয়া খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতেও হিমশিম খাচ্ছেন। নেই প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার, নেই চিকিৎসার সুব্যবস্থা। অভাবের তাড়নায় ধুঁকতে থাকা এই বৃদ্ধার কণ্ঠে এখন শুধুই হাহাকার।

​​সমাজের বিত্তবান ও সরকারি প্রশাসন যদি এই বীরাঙ্গনার পাশে এসে দাঁড়ায়, তবেই হয়তো এই বৃদ্ধার শেষ বয়সের বিষাদময় জীবনে কিছুটা প্রশান্তি নেমে আসবে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর