বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
যুবলীগ চেয়ারম্যান পরশ ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা বিদ্যানিকেতনে বার্ষিক মেধা ও ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণ ফতুল্লায় চাকু দেখিয়ে ৭৫ হাজার টাকা ছিনতাই, ফুটেজে শনাক্ত ‘সিফাত’ সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়িতে পবিত্র ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জশনে জুলুস ছাতক থেকে সিলেটে পর্যন্ত রেলপথ সংস্কারের প্রকল্প মেয়াদ শেষ হলেও, কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ বকশীগঞ্জ উপজেলায় সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আগমন : অন্ধকার পৃথিবীতে আলোর জাগরণ – লায়ন মো: গনি মিয়া বাবুল সিলেটে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ডেঙ্গুরোগী, বর্তমান রোগীর সংখ্যা- ১৭২ বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল বোটসহ ১৬ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী আমতলীতে আট মামলার আসামি নয়া গ্রেপ্তার

রক্ত নিতে গিয়ে শিশুর হাত অবশ! কসাইখানায় পরিণত চাষাড়ার পপুলার ডায়াগনস্টিক?

মোঃ সোহেল আহমেদ / ৮০১ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে চিকিৎসাসেবা প্রদানে অবহেলার অভিযোগ তুলে বিচার, ক্ষতিপূরণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার সেহাচর তক্কারমাঠ এলাকার বাসিন্দা আল আমিন চৌধুরী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আল আমিন চৌধুরী অভিযোগ করেন, তার ১৬ মাস বয়সী ভাতিজা রাইয়ানকে মাথার একটি ছোট ফোঁড়ার চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক ডা. শফিউল আলমের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসক প্রয়োজনীয় কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিলে তারা চাষাড়ার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান।

তার দাবি, সেখানে রক্ত সংগ্রহের সময় দায়িত্বে থাকা অদক্ষ কর্মীরা শিশুটির ডান হাত থেকে রক্ত নিতে একাধিকবার চেষ্টা করেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে সুই প্রবেশ করানোর ফলে শিশুটি তীব্র ব্যথায় কাঁদতে থাকে। পরে অল্প পরিমাণ রক্ত সংগ্রহ করে পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। বাসায় ফেরার পর থেকেই শিশুটির ডান হাত ফুলে যায় এবং সারারাত ব্যথায় কাতরাতে থাকে।

পরদিন পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে পুনরায় চিকিৎসকের কাছে গেলে শিশুর হাত দেখে দ্রুত ঢাকার কোনো শিশু হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। পরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা শিশুটিকে ভর্তি করে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান।

আল আমিন চৌধুরীর ভাষ্য অনুযায়ী, পরীক্ষার ফলাফলে চিকিৎসকরা জানান, শিশুটির কনুই থেকে আঙুল পর্যন্ত রক্ত চলাচলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালিতে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার করা হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে আল আমিন চৌধুরী বলেন, তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন। একই সঙ্গে তিনি বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তবে তিনি তার পোস্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, চিকিৎসক ডা. শফিউল আলমের বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ নেই। তার দাবি, ঘটনার সম্পূর্ণ দায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রক্ত সংগ্রহে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর