শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
আমতলীতে শুরু হলো তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান মাদকের অন্ধকার থেকে স্বাভাবিক জীবনে, ফতুল্লায় নতুন জীবনের উৎসব ফতুল্লায় বিএনপি নেতা টিটুর ভাই-ভাতিজাদের মাদক ব্যবসায় সর্ম্পৃক্ততার অভিযোগ! আমতলীতে ৪’শ পিস ইয়াবা ও গাঁজাসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার ফতুল্লায় ঐতিহ্যবাহী সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত ফতুল্লার নরসিংপুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো সানীর গোপন মাদক আস্তানা তালতলীতে মাছ ধরে ফেরার পথে বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি, ১৪ জেলেকে উদ্ধার আমতলীতে নিবন্ধনহীন উদয়ন স্কুলে অভিযান, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, হাসপাতালে ৭ ছাত্রী আহসানউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের হাতে খেলাধুলার সামগ্রী তুলে দিলেন ইউএনও ফতুল্লায় একাধিক মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বিল্লাল গ্রেপ্তার

রক্ত নিতে গিয়ে শিশুর হাত অবশ! কসাইখানায় পরিণত চাষাড়ার পপুলার ডায়াগনস্টিক?

মোঃ সোহেল আহমেদ / ৮৬০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে চিকিৎসাসেবা প্রদানে অবহেলার অভিযোগ তুলে বিচার, ক্ষতিপূরণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার সেহাচর তক্কারমাঠ এলাকার বাসিন্দা আল আমিন চৌধুরী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আল আমিন চৌধুরী অভিযোগ করেন, তার ১৬ মাস বয়সী ভাতিজা রাইয়ানকে মাথার একটি ছোট ফোঁড়ার চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক ডা. শফিউল আলমের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসক প্রয়োজনীয় কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিলে তারা চাষাড়ার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান।

তার দাবি, সেখানে রক্ত সংগ্রহের সময় দায়িত্বে থাকা অদক্ষ কর্মীরা শিশুটির ডান হাত থেকে রক্ত নিতে একাধিকবার চেষ্টা করেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে সুই প্রবেশ করানোর ফলে শিশুটি তীব্র ব্যথায় কাঁদতে থাকে। পরে অল্প পরিমাণ রক্ত সংগ্রহ করে পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। বাসায় ফেরার পর থেকেই শিশুটির ডান হাত ফুলে যায় এবং সারারাত ব্যথায় কাতরাতে থাকে।

পরদিন পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে পুনরায় চিকিৎসকের কাছে গেলে শিশুর হাত দেখে দ্রুত ঢাকার কোনো শিশু হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। পরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা শিশুটিকে ভর্তি করে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান।

আল আমিন চৌধুরীর ভাষ্য অনুযায়ী, পরীক্ষার ফলাফলে চিকিৎসকরা জানান, শিশুটির কনুই থেকে আঙুল পর্যন্ত রক্ত চলাচলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালিতে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার করা হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে আল আমিন চৌধুরী বলেন, তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন। একই সঙ্গে তিনি বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তবে তিনি তার পোস্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, চিকিৎসক ডা. শফিউল আলমের বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ নেই। তার দাবি, ঘটনার সম্পূর্ণ দায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রক্ত সংগ্রহে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর