বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
অগ্রবাণী প্রতিদিনের প্রকাশক-সম্পাদক স্বপন কুমার পোদ্দার আর নেই লক্ষীনারায়ণ দুর্গা মন্দিরে বিসর্জন নয়, চলবে নিত্যপূজা: টনি মল্লিক আমতলীতে অসহায় বৃদ্ধা জয়তনের পাশে স্বপ্নছোঁয়া, দিল এক মাসের বাজারসামগ্রী কবিরাজির আড়ালে নারীদের ফাঁদ: স্ত্রী ফেলে নতুন নারীকে নিয়ে ফতুল্লায় আস্তানা! ​ফতুল্লায় বিয়ের প্রলোভনে তরুণী ধর্ষণ: দলিল লেখক ‘লুচ্চা পাভেল’ গ্রেপ্তার তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসারে কাজ করছে সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা: রিয়াদ চৌধুরী নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে ফতুল্লায় উত্তাল সাংবাদিক সমাজ আমতলীতে বেড়াতে এসে লাশ হয়ে ফিরল ৮ বছরের এলমা সাহেব আলীকে গুলি করে হত্যা প্রধান অভিযুক্ত রনি গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার বন্দরে জোড়া খুন, স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা, পালানোর বদলে ৯৯৯-এ ফোন স্বামীর!

বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল বোটসহ ১৬ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী

মাইনুল ইসলাম রাজু,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি / ১০৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
Oplus_131072

দেশের সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সমুদ্রে সুশাসন বজায় রাখতে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নিয়মিত টহল পরিচালনা করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসমান একটি মাছ ধরার বোটসহ ১৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী।

গত সোমবার (২৪ আগস্ট) টহল কার্যক্রম পরিচালনার সময় নৌবাহিনী জাহাজ ‘বানৌজা কপোতাক্ষ’ মোংলা ফেয়ারওয়ে বয়ের কাছ থেকে ভাসমান অবস্থায় মৎস্য বোট ‘এফবি আল আমিন’ এবং এর ১৬ জন জেলেকে উদ্ধার করে।

নৌবাহিনী সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে টহলকালে বঙ্গোপসাগরে একটি মাছ ধরার বোটের ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসমান থাকার খবর পায় ‘বানৌজা কপোতাক্ষ’। এরপর রাতেই উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে নৌবাহিনীর জাহাজটি। পরদিন সকালে প্রচণ্ড ঢেউ ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও মোংলা ফেয়ারওয়ের সন্নিকটে বোটটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসমান থাকা ‘এফবি আল আমিন’ বোটটি ১৬ জন জেলেসহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় নৌবাহিনীর সদস্যরা জেলেদের প্রয়োজনীয় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেন।

Oplus_131072

উদ্ধার হওয়া জেলেদের বরাত দিয়ে নৌবাহিনী জানায়, গত ১৯ আগস্ট বাগেরহাটের শরণখোলা এলাকা থেকে ১৬ জন জেলে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে ‘এফবি আল আমিন’ নিয়ে সমুদ্রে যান। সমুদ্রে যাওয়ার দুই দিন পর বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এরপর প্রায় তিন দিন ধরে বোটটি সাগরে ভাসমান অবস্থায় ছিল।

পরে সাগরের উত্তাল ঢেউ ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই নৌবাহিনীর জাহাজটি বোটটিকে টেনে (টোয়িং) সুন্দরবনসংলগ্ন হিরণ পয়েন্টে নিরাপদে নিয়ে আসে। সেখানে বোটসহ উদ্ধার হওয়া জেলেদের বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সমুদ্রে বিপদগ্রস্ত জেলে ও নৌযানকে দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদে তীরে পৌঁছে দেওয়ার এ ঘটনা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দায়িত্বশীলতা ও মানবিকতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর