শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
আমতলীতে শুরু হলো তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান মাদকের অন্ধকার থেকে স্বাভাবিক জীবনে, ফতুল্লায় নতুন জীবনের উৎসব ফতুল্লায় বিএনপি নেতা টিটুর ভাই-ভাতিজাদের মাদক ব্যবসায় সর্ম্পৃক্ততার অভিযোগ! আমতলীতে ৪’শ পিস ইয়াবা ও গাঁজাসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার ফতুল্লায় ঐতিহ্যবাহী সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত ফতুল্লার নরসিংপুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো সানীর গোপন মাদক আস্তানা তালতলীতে মাছ ধরে ফেরার পথে বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি, ১৪ জেলেকে উদ্ধার আমতলীতে নিবন্ধনহীন উদয়ন স্কুলে অভিযান, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, হাসপাতালে ৭ ছাত্রী আহসানউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের হাতে খেলাধুলার সামগ্রী তুলে দিলেন ইউএনও ফতুল্লায় একাধিক মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বিল্লাল গ্রেপ্তার

শেষ বয়সে অমানবিক কষ্টে জীবন কাটছে বীরাঙ্গনা মনোরানী বেওয়ার, সরকারি সহায়তার আকুতি ​

রাহাদ হোসেন / ২৩৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

​মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশে যখন দেশের বীর সন্তানদের যথাযথ মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জয়গান গাওয়া হয়, তখন অবহেলা আর দারিদ্র্যের চরম শিখরে দাঁড়িয়ে জীবনের শেষ সময় পার করছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন নিশ্চিন্তপুর এলাকার ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মনোরানী বেওয়া। স্বামী হারানোর শোক, একমাত্র সন্তান হারানো আর্তনাদ আর চরম অর্থাভাব—সব মিলিয়ে এক বিষাদময় জীবন তার নিত্যসঙ্গী।

​১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল সময়ে পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন মনোরানী বেওয়ার স্বামী মনোরঞ্জন মন্ডল। স্বামীর মৃত্যুতে তখন ভেঙে পড়েছিল তরুণী মনোরানীর পৃথিবী। ২০ বছর বয়সী তার একমাত্র পুত্রসন্তানও বজ্রপাতে হারিয়েছে জীবন। আপনজন বলতে আজ তার পৃথিবীতে কেউ নেই।

​১৯৭২ সালে তৎকালীন সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাক্ষরিত “প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল” থেকে স্বামীর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২,০০০ টাকা অনুদান পেয়েছিলেন তিনি (চেক নং: সিএ ০১৩৫২৭)। সেই স্মৃতিটুকু আজও সযত্নে লালন করে আসছেন তিনি। তবে স্বাধীনতার ৫৬ বছর পেরিয়ে গেলেও, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার হিসেবে যে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সহায়তা পাওয়ার কথা ছিল, তার অনেক কিছুই আজও তার নাগালের বাইরে।

​বর্তমানে বয়সের ভারে ন্যুব্জ মনোরানী বেওয়া খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতেও হিমশিম খাচ্ছেন। নেই প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার, নেই চিকিৎসার সুব্যবস্থা। অভাবের তাড়নায় ধুঁকতে থাকা এই বৃদ্ধার কণ্ঠে এখন শুধুই হাহাকার।

​​সমাজের বিত্তবান ও সরকারি প্রশাসন যদি এই বীরাঙ্গনার পাশে এসে দাঁড়ায়, তবেই হয়তো এই বৃদ্ধার শেষ বয়সের বিষাদময় জীবনে কিছুটা প্রশান্তি নেমে আসবে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর