মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
কবিরাজির আড়ালে নারীদের ফাঁদ: স্ত্রী ফেলে নতুন নারীকে নিয়ে ফতুল্লায় আস্তানা! ​ফতুল্লায় বিয়ের প্রলোভনে তরুণী ধর্ষণ: দলিল লেখক ‘লুচ্চা পাভেল’ গ্রেপ্তার তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসারে কাজ করছে সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা: রিয়াদ চৌধুরী নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে ফতুল্লায় উত্তাল সাংবাদিক সমাজ আমতলীতে বেড়াতে এসে লাশ হয়ে ফিরল ৮ বছরের এলমা সাহেব আলীকে গুলি করে হত্যা প্রধান অভিযুক্ত রনি গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার বন্দরে জোড়া খুন, স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা, পালানোর বদলে ৯৯৯-এ ফোন স্বামীর! বন্দরে শ্রমকল্যাণ কমপ্লেক্স পরিদর্শনে মন্ত্রী, অনিয়মের দায়ে ৫২ এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল নবীগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকার ফ্ল্যাটে মিনি পতিতালয় ও মাদকের কারবার: দুই নারীসহ ৩ জন আটক মমিনের ওপর হামলার প্রতিবাদে কে-গাতী ইউনিয়ন যুবদলের বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

শেষ বয়সে অমানবিক কষ্টে জীবন কাটছে বীরাঙ্গনা মনোরানী বেওয়ার, সরকারি সহায়তার আকুতি ​

রাহাদ হোসেন / ৩১২ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

​মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশে যখন দেশের বীর সন্তানদের যথাযথ মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জয়গান গাওয়া হয়, তখন অবহেলা আর দারিদ্র্যের চরম শিখরে দাঁড়িয়ে জীবনের শেষ সময় পার করছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন নিশ্চিন্তপুর এলাকার ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মনোরানী বেওয়া। স্বামী হারানোর শোক, একমাত্র সন্তান হারানো আর্তনাদ আর চরম অর্থাভাব—সব মিলিয়ে এক বিষাদময় জীবন তার নিত্যসঙ্গী।

​১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল সময়ে পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন মনোরানী বেওয়ার স্বামী মনোরঞ্জন মন্ডল। স্বামীর মৃত্যুতে তখন ভেঙে পড়েছিল তরুণী মনোরানীর পৃথিবী। ২০ বছর বয়সী তার একমাত্র পুত্রসন্তানও বজ্রপাতে হারিয়েছে জীবন। আপনজন বলতে আজ তার পৃথিবীতে কেউ নেই।

​১৯৭২ সালে তৎকালীন সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাক্ষরিত “প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল” থেকে স্বামীর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২,০০০ টাকা অনুদান পেয়েছিলেন তিনি (চেক নং: সিএ ০১৩৫২৭)। সেই স্মৃতিটুকু আজও সযত্নে লালন করে আসছেন তিনি। তবে স্বাধীনতার ৫৬ বছর পেরিয়ে গেলেও, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার হিসেবে যে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সহায়তা পাওয়ার কথা ছিল, তার অনেক কিছুই আজও তার নাগালের বাইরে।

​বর্তমানে বয়সের ভারে ন্যুব্জ মনোরানী বেওয়া খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতেও হিমশিম খাচ্ছেন। নেই প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার, নেই চিকিৎসার সুব্যবস্থা। অভাবের তাড়নায় ধুঁকতে থাকা এই বৃদ্ধার কণ্ঠে এখন শুধুই হাহাকার।

​​সমাজের বিত্তবান ও সরকারি প্রশাসন যদি এই বীরাঙ্গনার পাশে এসে দাঁড়ায়, তবেই হয়তো এই বৃদ্ধার শেষ বয়সের বিষাদময় জীবনে কিছুটা প্রশান্তি নেমে আসবে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর