মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
কবিরাজির আড়ালে নারীদের ফাঁদ: স্ত্রী ফেলে নতুন নারীকে নিয়ে ফতুল্লায় আস্তানা! ​ফতুল্লায় বিয়ের প্রলোভনে তরুণী ধর্ষণ: দলিল লেখক ‘লুচ্চা পাভেল’ গ্রেপ্তার তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসারে কাজ করছে সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা: রিয়াদ চৌধুরী নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে ফতুল্লায় উত্তাল সাংবাদিক সমাজ আমতলীতে বেড়াতে এসে লাশ হয়ে ফিরল ৮ বছরের এলমা সাহেব আলীকে গুলি করে হত্যা প্রধান অভিযুক্ত রনি গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার বন্দরে জোড়া খুন, স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা, পালানোর বদলে ৯৯৯-এ ফোন স্বামীর! বন্দরে শ্রমকল্যাণ কমপ্লেক্স পরিদর্শনে মন্ত্রী, অনিয়মের দায়ে ৫২ এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল নবীগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকার ফ্ল্যাটে মিনি পতিতালয় ও মাদকের কারবার: দুই নারীসহ ৩ জন আটক মমিনের ওপর হামলার প্রতিবাদে কে-গাতী ইউনিয়ন যুবদলের বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ছাতক থেকে সিলেটে পর্যন্ত রেলপথ সংস্কারের প্রকল্প মেয়াদ শেষ হলেও, কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ

উজ্জীবিত বাংলাদেশ ডেস্ক / ১১০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন

ছাতক থেকে সিলেটে পর্যন্ত রেলপথ সংস্কারের প্রকল্প মেয়াদ শেষ হলেও, কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ। ১৯৫৪ সালে সিলেট থেকে ছাতক বাজার পর্যন্ত এই রেলপথ নির্মাণ করা হয়। এই রেলপথ দিয়ে ছাতক থেকে চুনাপাথরসহ বিভিন্ন পণ্য সারা দেশে পাঠানো হতো। পাশাপাশি সুনামগঞ্জের মানুষ সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতেন।

২০২২ সালের শতাব্দীর ভয়াবহ বন্যায় রেলপথটির বিভিন্ন অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথে সব ধরনের রেল চলাচল বন্ধ রয়েছে। রেল চলাচল বন্ধ থাকায় রেলপথের মূল্যবান স্লিপার ও লোহার পাত (রেললাইন) চুরি হয়েছে।

এরপর ২১৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪ হাজার ৩৬৯ টাকা ব্যয়ে রেলপথটি পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ। রোববার (২৩ আগস্ট) ছিল প্রকল্পটির নির্ধারিত মেয়াদের শেষ দিন।
জানা যায়, দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর ২০২৫ সালে সিলেট থেকে ছাতক বাজার পর্যন্ত প্রায় ৩৪ কিলোমিটার রেললাইন পুণর্বাসনে ২১৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪ হাজার ৩৬৯ টাকা ব্যয়ে প্রকল্প হাতে নেয় বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রকল্পটির নাম ২০২২ সালের বন্যায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের সিলেট থেকে ছাতক বাজার অংশের (মিটারগেজ ট্র্যাক) পুণর্বাসন প্রকল্প।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, জিওবি ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) অর্থায়নে ক্ষতিগ্রস্ত মিটারগেজ রেলপথ সংস্কারের জন্য ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারি সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এ রেলপথ সংস্কারের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মীর আখতার হোসেন লিমিটেড (এমএএইচএল)। ওই বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি হয়। ২১৭ কোটি টাকার প্রকল্প হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ১৯৯ কোটি টাকার চুক্তি করা হয়।

রেলপথ পুণর্বাসন প্রকল্পের মেয়াদ ছিল চলতি বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ। প্রকল্পের আওতাধীন ৯৬টি পাইলিং পয়েন্টের মধ্যে ৮৫টির কাজ শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে সংস্কার কাজ শেষ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর