আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার মাসদাইরে এক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাসদাইর পৌর শ্মশানের উল্টোপাশে ফতুল্লা থানা ওলামা দলের উদ্যোগে উক্ত আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ফতুল্লা থানা ওলামা দলের আহবায়ক জিলানী ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ওলামা দলের সদস্য সচিব হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ মামুন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করতে দলের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান। ৩০ তারিখে আমরা নারায়ণগঞ্জ থেকে বিশাল একটি মিছিল নিয়ে ঢাকায় ওলামা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগদান করবো। সেই লক্ষ্যেই সকলকে প্রস্তুত থাকার আহবান জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, ৫ টি ইউনিয়নের কমিটি দেয়ার কথা বলে ব্যর্থ হয়েছেন থানা ওলামা দলের নেতৃবৃন্দরা। আগামী একমাসের মধ্যে ইউনিয়ন কমিটিগুলো আপনাদেরকে দিতে হবে। আমি বলতে পারি আমাদের ওলামা দলের কেউ জুট ব্যবসার সাথে জড়িত নয় তবে ফতুল্লা থানার আহবায়ক জিলানী ফকির বিগত দিনে জুট ব্যবসা করেছে বিধায় সে এখনও জড়িত আছে। এতে যদি কেউ বলে বেড়ান যে জিলানী ফকির জুট ব্যবসায় জড়িত তাহলে আমি বলবো এটা সে অনেক আগ থেকেই করছেন।
জিলানী ফকিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা শুনেছি যে মাসদাইরে গনপিটুনিতে যে ছেলেটি নিহত হয়েছে সে ছিনতাইসহ যাবতীয় অপকর্ম করে বেড়াতো। স্থানীয়রা তাকে আটক করে গনপিটুনী দিয়ে হত্যা করেছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে যে,সেই মামলায় আসামী করা হয়েছে জিলানী ফকিরকে। অথচ সেদিন জিলানী ফকির অন্য একটি দলীয় প্রোগ্রামে ছিলেন যার ভিডিও চিত্রসহ একাধিক প্রমান রয়েছে আমাদের হাতে। তাই আমি থানা পুলিশকে অনুরোধ করে বলবো যে, সেদিনের সেই ঘটনা নিয়ে জিলানী ফকিরের অবস্থান কোথায় ছিল সেটা আগে নিশ্চিত করুন এবং ফতুল্লা থানা ওলামাদলের আহবায়ক জিলানী ফকিরকে উক্ত মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন করুন।
তিনি আরও বলেন,গনপিটুনী নিহত সেই ছিনতাইকারী হত্যাকান্ডের ঘটনায় জিলানী ফকির কতটা যুক্ত রয়েছে সেটা প্রমান করতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে আহবান জানাচ্ছি। যদি আপনি কোন তথ্য পান যে সেই ঘটনায় জিলানী ফকির জড়িত তাহলে আমি নিজেই ওকে আইনের হাতে তুলে দিবো।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা ওলামা দলের সদস্য সচিব হাফেজ মোহাম্মদ মহসিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাজারুল ইসলাম সুমন, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ আব্দুল বাসেদ, জাহিদ হাসান বেলাল, মোঃ আমিন, রেফায়েত উল্লাহ মাস্টার, মোহাম্মদ শামীম, সাদেকুর রহমান, জেলা সদস্য মাহবুব, সদস্য শাহাআলম, মোহাম্মদ নয়ন প্রমুখ।