বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BIWTA) কর্তৃক অনুমোদিত বিআইডব্লিউটিএ-এর নাম ভাঙিয়ে নদীপথে নিয়মবহির্ভূত টোল আদায়ের মারাত্মক অভিযোগ পাওয়া গেছে। গোয়ালন্দ থেকে পাকশী এবং হরিরামপুর থেকে সিরাজগঞ্জ রুটে চলাচলকারী নৌযানগুলো থেকে কোনো প্রকার নির্দিষ্ট নীতিমালা ছাড়াই অসংগতিপূর্ণ অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি প্রাপ্ত ৫১২৭ নম্বর সম্বলিত একটি মানি রসিদে দেখা যায়, ‘মদিনার ফুল স্টার’ নামের একটি নৌযান থেকে ১৭,০০০ একক মালামালের বিপরীতে ২,০০০ টাকা খাজনা বা চ্যানেল চার্জ আদায় করা হয়েছে। রশিদটিতে ইজারাদার হিসেবে ‘মো: নাসির উদ্দিন’ (মোবাইল: ০১৮৬৫-৩০০৩৭৭) নাম উল্লেখ রয়েছে।
নৌযান মালিক ও চালকদের অভিযোগ, অনুমোদিত চ্যানেল চার্জ আদায়ের দোহাই দিয়ে ইজারাদারের লোকজন যথেচ্ছভাবে অর্থ আদায় করছেন। নির্ধারিত সরকারি রেট বা তালিকা প্রকাশ না করেই মৌখিক ও ইচ্ছেমতো অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়, এবং টাকা না দিলে নৌযান আটকে হয়রানি করা হয়।
স্থানীয় নৌপরিবহন ব্যবসায়ীদের একাংশ জানান, নৌপথে প্রতিনিয়ত এমন বিভিন্ন অংকের টোল ও চ্যানেল চার্জ আদায় ব্যবসায়িক ক্ষতির প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট তদারকি না থাকায় ইজারাদাররা নিজেদের সুবিধাজনক অংকে রসিদ কেটে অর্থ পকেটস্থ করছেন।
নৌপথের নিরাপত্তা ও ব্যবসা সহজীকরণের স্বার্থে অবিলম্বে বিআইডব্লিউটিএ-এর মাধ্যমে এই অবৈধ ও অসংগতিপূর্ণ ফি আদায় বন্ধের জোরালো দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নৌযান মালিক সমিতি।