বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষকরা যা শিখায় সেটার সাথে আমাদের বাস্তবতাকে একটা সংযোগ ঘটাতে হবে: আলী নূর খান খালকে পূণ খনন ও খালের দুই পাশ দিয়ে ওয়াকওয়ে তৈরি করে দিবে: শাখাওয়াত হোসেন খান কে-গাতী ইউনিয়নে রাজনীতি ও সামাজিক অঙ্গনে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে মজিবুর রহমান বকশীগঞ্জে বৈদ্যুতিক সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু বকশীগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারকে তারেক রহমানের উপহার দিল ছাত্রদল আমতলীতে খাল থেকে অজ্ঞাত পরিচয়  যুবকের মরদেহ উদ্ধার ফতুল্লায় পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হবিগঞ্জে এনসিপি-ছাত্রদল সংঘর্ষ: ব্যাংকে অবরুদ্ধ পাটওয়ারী ও সারজিস এক মাসে যোগ-বিয়োগ শেখাতে না পারলে শিক্ষক-শিক্ষা বরখাস্ত: ববি হাজ্জাজ ১৬ নেতার পদত্যাগের পর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত

প্রতীক অবমাননা নয়, প্রতিবাদের ভাষা হোক সম্মানজনক

উজ্জীবিত বাংলাদেশ ডেস্ক / ২১২ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন

লেখক: টনি সনাতন

সমাজে প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকার। মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলবে, মত প্রকাশ করবে, ক্ষোভ জানাবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন উঠে, সেই প্রতিবাদের ভাষা কেমন হবে? কোনো ধর্মীয় প্রতীক, বিশ্বাস বা পূজনীয় ব্যক্তিত্বকে অবমাননা করে কি আদৌ ন্যায়সঙ্গত প্রতিবাদ সম্ভব?

 

সম্প্রতি আন্দোলন বা ক্ষোভ প্রকাশের নামে ভগবান রামের প্রতিকৃতিতে জুতা নিক্ষেপ বা অবমাননাকর আচরণের ঘটনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এ ধরনের আচরণ কি কোনো ধর্মীয় শিক্ষা সমর্থন করে? ইসলামসহ বিশ্বের বড় ধর্মগুলোর মূল শিক্ষা পরস্পরের বিশ্বাসকে অপমান নয়, বরং শালীনতা ও মানবিক সহাবস্থানের ওপর গুরুত্ব দেয়।

 

এখানে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—কয়েকজনের কর্মকাণ্ড দিয়ে পুরো একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে বিচার করা যায় না। যেমন কোনো হিন্দুর ভুল কাজের দায় সব হিন্দুর নয়, তেমনি কোনো মুসলমানের উসকানিমূলক আচরণের দায়ও সব মুসলমানের নয়। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও সত্য, অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরবতা অনেক সময় প্রশ্ন তৈরি করে।

 

বাংলাদেশ বহুদিন ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে পরিচিত। এই সম্প্রীতি শুধু উৎসব ভাগাভাগি নয়; বরং একে অপরের বিশ্বাসকে সম্মান করার মধ্যেই এর প্রকৃত অর্থ। ভিন্ন ধর্মের প্রতীককে অবমাননা করলে প্রতিক্রিয়া তৈরি হবেই—এটি স্বাভাবিক মানবিক অনুভূতি।

 

আজ প্রয়োজন উত্তেজনা নয়, আত্মসমালোচনা। প্রতিবাদের নামে যদি আমরা অন্যের অনুভূতিকে আঘাত করি, তাহলে সমাজে বিভাজনই বাড়বে। মতের বিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু মর্যাদা হারিয়ে নয়।

 

সম্প্রীতি তখনই বাস্তব হয়, যখন নিজের বিশ্বাসের মতো অন্যের বিশ্বাসকেও সম্মান করার মানসিকতা গড়ে ওঠে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর