মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
লাশ দাফনে পুলিশ-নেতাদের ‘আপস’ তানজিলা মৃত্যুর আসল সত্য আড়ালে? ‎বকশীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে অনুদানের চেক প্রদান কলমাকান্দায় বালু খেকো সিন্ডিকেটের তাণ্ডব: ভাঙন আতঙ্কে গজারমারিবাসী এরিব্স স্কুলে শাসনের নামে বেত্রাঘাত? শিক্ষক ফারুকের বিরুদ্ধে থানায় মায়ের অভিযোগ আমতলীতে মাছের ঘেরে গাছসহ সড়ক ধস, ঝুঁকিতে আরও ১০০ মিটার গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ কর্মীকে ছাড়াতে ‘নৌবাহিনী কমান্ডার’ পরিচয়ে ফোন বারহাট্টায় ভূমি অফিসের নায়েবের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ফতুল্লায় ‘অনিবার্ণ ক্রীড়া সংঘ’-এর নতুন কার্যালয় উদ্বোধন ফতুল্লায় বিএনপি নেতাদের ওপর হামলা: নেপথ্যে ‘মাস্টারমাইন্ড’ কারা, উঠছে প্রশ্ন কেককেটে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করলেন দলিল লেখক ও তল্লাশীকারক সমিতি

লাশ দাফনে পুলিশ-নেতাদের ‘আপস’ তানজিলা মৃত্যুর আসল সত্য আড়ালে?

উজ্জীবিত বাংলাদেশ ডেস্ক / ২৬ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন

প্রবাসী স্বামীর ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নারায়ণগঞ্জের বক্তাবলীতে তানজিলা (২৫) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরকীয়া প্রেমিককে আইনি ব্যবস্থা থেকে বাঁচাতে বিএনপি নেতাদের মাধ্যমে পরিবারকে চাপ দেওয়া এবং ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে চরম বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

​অনুসন্ধানে জানা যায়,সাম্প্রতিক কানাইনগর গ্রামের পরকীয়া প্রেমিক মোহাম্মদ আরিফের সাথে ঘুরতে বের হয়ে নিখোঁজ হন তানজিলা। আরিফ স্থানীয় ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. বাদশা মিয়ার ভাগ্নে। অনুসন্ধানে আরো জানা যায় ঘোরার পরই তানজিলার মৃত্যুর খবর আসে। স্বজনদের অভিযোগ, মিজান ফকিরের পাঠানো গচ্ছিত ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতেই আরিফ পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

এদিকে ​মৃত্যু ঘিরে রহস্য পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও ধোঁয়াশা দেখা গেছে, তানজিলার মৃত্যু কীভাবে বা কোথায় হয়েছে, তার নির্দিষ্ট উত্তর নেই। নিহতের পরিবার দুর্ঘটনা বললেও ননদের দাবি কলার খোসায় পিছলে বটির ওপর পড়ে তানজিলা আহত হন এবং ভয়ে হার্ট অ্যাটাক করেন। আসল সত্য উন্মোচনের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী লাশ বহনকারী অটোচালককে হুমকির মুখে গুম বা আত্মগোপনে রাখা হয়েছে।

​দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ও সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ায় ওঠেছে নানা প্রশ্ন,বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রধান, সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান ফকিরসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্ত ও মামলা না করার শর্তে পুলিশ সাদা কাগজে স্বজনদের সই নেয়। নেতারা বিষয়টি স্বীকার করে একে ‘দুই পক্ষের আপস’ বলে দাবি করছেন।

​এবিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার মাজেদুল ইসলাম সম্রাট স্পষ্ট জানান, ফৌজদারি অপরাধে কোনো আপসের আইনি সুযোগ নেই। পরিবার না চাইলেও পুলিশের নিজ বাদী হয়ে মামলা করা বাধ্যতামূলক।

​ফতুল্লা মডেল থানার ওসি বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করলেও সচেতন মহল ও এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে লাশ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত করতে হবে এবং ঘটনাটি পিবিআই (PBI) বা সিআইডি (CID)-কে দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করাতে হবে।

এ বিষয়ে বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান প্রধান জানান, আমি কোন সাদা কাগজে কোন পক্ষের সহি রাখিনি, আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। তারা দুই পক্ষই কোন মামলা করবে না তাই আপোষ মীমাংসা করা হয়েছে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর