মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
কলমাকান্দায় বালু খেকো সিন্ডিকেটের তাণ্ডব: ভাঙন আতঙ্কে গজারমারিবাসী এরিব্স স্কুলে শাসনের নামে বেত্রাঘাত? শিক্ষক ফারুকের বিরুদ্ধে থানায় মায়ের অভিযোগ আমতলীতে মাছের ঘেরে গাছসহ সড়ক ধস, ঝুঁকিতে আরও ১০০ মিটার গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ কর্মীকে ছাড়াতে ‘নৌবাহিনী কমান্ডার’ পরিচয়ে ফোন বারহাট্টায় ভূমি অফিসের নায়েবের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ফতুল্লায় ‘অনিবার্ণ ক্রীড়া সংঘ’-এর নতুন কার্যালয় উদ্বোধন ফতুল্লায় বিএনপি নেতাদের ওপর হামলা: নেপথ্যে ‘মাস্টারমাইন্ড’ কারা, উঠছে প্রশ্ন কেককেটে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করলেন দলিল লেখক ও তল্লাশীকারক সমিতি সিদ্ধিরগঞ্জে গণ-অধিকার পরিষদ নেতা ও তার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ ৯ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ: নারায়ণগঞ্জে ৫ ভেন্যুতে লড়বে ৯০টি প্রতিষ্ঠান

ছেলের লাশ কাটাছেঁড়া না করার বিনিময়ে ১০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে পুলিশ, অভিযোগ বাবার

উজ্জীবিত বাংলাদেশ ডেস্ক / ১৪৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৩০ অপরাহ্ন

রাজশাহীতে ডাবগাছ থেকে পড়ে আহত হয়ে এক যুবকের মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহের ময়নাতদন্ত না করতে পুলিশের কাছে আবেদন করেছিলেন পরিবার। তবে এ প্রক্রিয়ায় অর্থ দাবির অভিযোগ ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। যদিও অভিযোগ অস্বীকা

 

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গ এলাকায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নিহত মামুন আলী (৩০) রাজশাহী নগরের চন্দ্রিমা থানার দায়রাপাক এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবা সেকেন্দার আলী পেশায় নৈশ প্রহরী।

 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় এক ব্যক্তির ডাবগাছে উঠে ডাব পাড়ার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান মামুন আলী। সড়কের পাশের কংক্রিটের ফুটপাতে আছড়ে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।

 

মামুনের মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিতভাবে জানানো হয়, এ ঘটনায় তাঁদের কোনো অভিযোগ নেই এবং মরদেহের ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, চন্দ্রিমা থানা থেকে হাসপাতালে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, অর্থ না দিলে ময়নাতদন্ত করা হবে বলে জানানো হয়েছিল।

 

নিহতের বাবা সেকেন্দার আলী বলেন, তাঁর ছেলে দুর্ঘটনায় মারা গেছে, তাই লাশ কাটাছেঁড়া না করে দাফন করতে চেয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে ময়নাতদন্ত হলে মরদেহ গ্রহণ করবেন না।

 

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগের মধ্যেই মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। পরে স্বজনেরা মর্গ এলাকা ছেড়ে চলে গেলে তাঁদের ফোন করে জানানো হয় যে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ গ্রহণ করা যাবে। এরপর পরিবার মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে যায়।

 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত নিহতের এক স্বজন অভিযোগ করে বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত এক উপপরিদর্শক (এসআই) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নাম উল্লেখ করে টাকা দাবি করেছিলেন।

 

তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট এসআই নাসির উদ্দিন। তাঁর দাবি, একটি অপমৃত্যুর মামলা হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছিল এবং অর্থ দাবির অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি আরও বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ও বিবেচনায় থাকবে।

 

এ বিষয়ে চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, পরিবার প্রথমে ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ নিতে চাইছিল, কিন্তু আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পুলিশ শুরুতে তাতে সম্মত হয়নি। পরে স্বজনেরা মরদেহ গ্রহণে অনীহা দেখালে পরিস্থিতি জটিল হওয়ার আশঙ্কায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর