রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
আমতলীতে শুরু হলো তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান মাদকের অন্ধকার থেকে স্বাভাবিক জীবনে, ফতুল্লায় নতুন জীবনের উৎসব ফতুল্লায় বিএনপি নেতা টিটুর ভাই-ভাতিজাদের মাদক ব্যবসায় সর্ম্পৃক্ততার অভিযোগ! আমতলীতে ৪’শ পিস ইয়াবা ও গাঁজাসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার ফতুল্লায় ঐতিহ্যবাহী সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত ফতুল্লার নরসিংপুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো সানীর গোপন মাদক আস্তানা তালতলীতে মাছ ধরে ফেরার পথে বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি, ১৪ জেলেকে উদ্ধার আমতলীতে নিবন্ধনহীন উদয়ন স্কুলে অভিযান, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, হাসপাতালে ৭ ছাত্রী আহসানউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের হাতে খেলাধুলার সামগ্রী তুলে দিলেন ইউএনও ফতুল্লায় একাধিক মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বিল্লাল গ্রেপ্তার

প্রতীক অবমাননা নয়, প্রতিবাদের ভাষা হোক সম্মানজনক

উজ্জীবিত বাংলাদেশ ডেস্ক / ৩১৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন

লেখক: টনি সনাতন

সমাজে প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকার। মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলবে, মত প্রকাশ করবে, ক্ষোভ জানাবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন উঠে, সেই প্রতিবাদের ভাষা কেমন হবে? কোনো ধর্মীয় প্রতীক, বিশ্বাস বা পূজনীয় ব্যক্তিত্বকে অবমাননা করে কি আদৌ ন্যায়সঙ্গত প্রতিবাদ সম্ভব?

 

সম্প্রতি আন্দোলন বা ক্ষোভ প্রকাশের নামে ভগবান রামের প্রতিকৃতিতে জুতা নিক্ষেপ বা অবমাননাকর আচরণের ঘটনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এ ধরনের আচরণ কি কোনো ধর্মীয় শিক্ষা সমর্থন করে? ইসলামসহ বিশ্বের বড় ধর্মগুলোর মূল শিক্ষা পরস্পরের বিশ্বাসকে অপমান নয়, বরং শালীনতা ও মানবিক সহাবস্থানের ওপর গুরুত্ব দেয়।

 

এখানে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—কয়েকজনের কর্মকাণ্ড দিয়ে পুরো একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে বিচার করা যায় না। যেমন কোনো হিন্দুর ভুল কাজের দায় সব হিন্দুর নয়, তেমনি কোনো মুসলমানের উসকানিমূলক আচরণের দায়ও সব মুসলমানের নয়। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও সত্য, অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরবতা অনেক সময় প্রশ্ন তৈরি করে।

 

বাংলাদেশ বহুদিন ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে পরিচিত। এই সম্প্রীতি শুধু উৎসব ভাগাভাগি নয়; বরং একে অপরের বিশ্বাসকে সম্মান করার মধ্যেই এর প্রকৃত অর্থ। ভিন্ন ধর্মের প্রতীককে অবমাননা করলে প্রতিক্রিয়া তৈরি হবেই—এটি স্বাভাবিক মানবিক অনুভূতি।

 

আজ প্রয়োজন উত্তেজনা নয়, আত্মসমালোচনা। প্রতিবাদের নামে যদি আমরা অন্যের অনুভূতিকে আঘাত করি, তাহলে সমাজে বিভাজনই বাড়বে। মতের বিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু মর্যাদা হারিয়ে নয়।

 

সম্প্রীতি তখনই বাস্তব হয়, যখন নিজের বিশ্বাসের মতো অন্যের বিশ্বাসকেও সম্মান করার মানসিকতা গড়ে ওঠে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর