ভোলাইল টাওয়ারপাড় এলাকার বাসিন্দা ফতুল্লা থানা সৈনিকলীগের সভাপতি মো.ইব্রাহিম খলিল। ২৪’র ৫ আগষ্ট পরবর্তী আওয়ামীলীগের সকল নেতাকর্মীদের পালালেও হলেও পালাতে হয়নি ইব্রাহিম খলিল ও তার ভাই যুবলীগ নেতা মো.বাদশা’কে। আর তাদের প্রকাশ্যেই সহযোগিতা করছে স্থানীয় কিছু অর্থলোভী বিএনপি নেতা যাদের হয়ে এখনও পর্যন্ত পুর্বের ন্যায় ব্যবসা-বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে এ আওয়ামী দোসর দু’সহোদর।
স্থানীয়দের দেয়া তথ্যসুত্রে জানা যায় যে, আওয়ামী দোসর ইব্রাহিম ও বাদশা এলাকাকে বহাল তবিয়তে রয়েছে এখনও যেখানে আওয়ামীলীগ করা কিংবা আওয়ামীলীগের নেতাদের সাথে শুধুমাত্র ছবি থাকার সুবাদে রাজনীতি না করা ব্যক্তিটিকেও এখন পুলিশের বেড়াজালে আটক করা হচ্ছে। তারা আরও জানান,ইব্রাহিম খলিল এলাকাতে একজন ভুমিদস্যুদের দোসর হিসেবে ব্যাপক সুপরিচিত। আর তার ভাই বাদশা বর্তমানে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে থেকেই ড্রেজারের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন আপন মনে।
সাবেক সাংসদ শামীম ওসমানের পাশে থেকে বিগত আওয়ামীলীগের শাসনামলে এ ইব্রাহিম খলিল ও তার ভাই বাদশা ভোলাইল টাওয়ারপাড়সহ আশপাশ এলাকায় ব্যাপক তান্ডবলীলা চালিয়েছে। ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে আসছে বলে যে চাউর উঠেছে এবং শহর ও শহরতলীতে যে ঝটিকা মিছিল হচ্ছে সেই মিছিলগুলো অর্থ যোগানদাতা হিসেবে ভেসে উঠেছে ইব্রাহিম খলিল ও বাদশা সহোদরের নামটি। প্রকাশ্যে থেকে এ দুই সহোদর ইব্রাহিম ও বাদশা এখনও নিজেদেরকে প্রভাবশালী কাতারে রেখে নির্ভয়ে কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্থানীয় সুত্রে জানা যায়। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মদদে তাদের পাশে থেকেই ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি আওয়ামী দোসরদের প্রতিষ্ঠিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে এ দুই সহোদরের বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের দাবী, যেখানে আওয়ামীলীগের নেতাদের সাথে ছবি থাকার অপরাধে নিরীহ সাধারন মানুষকে থানা পুলিশ গ্রেফতার করে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় আদালতে পাঠাচ্ছে সেখানে পদধারী নেতা ইব্রাহিম খলিল ও তার ভাই যুবলীগ নেতা বাদশা কিভাবে প্রকাশ্যে এলাকাতে অবস্থান করে রাজনৈতিক কর্মকান্ড ও ব্যবসা করে বেড়ায় সে প্রশ্ন এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে।
তারা অনতিবিলম্বে আওয়ামী দোসর ইব্রাহিম খলিল ও তার ভাই যুবলীগ নেতা বাদশাকে দ্রুত গ্রেফতারে জেলা পুলিশ সুপারের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।