মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
মীরুর মহিদুল এখন টিটুর ডেরায়! ফতুল্লায় বিএনপি নেতা রুহুল আমিনের ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে আলোচনা অনিল দাসকে ছাড়াতে থানায় বিএনপি নেতা মিথুন ও আওয়ামী দোসর বাচ্চুর দৌড়ঝাঁপ ফতুল্লার পাগলা থেকে শামীম ওসমানের সহযোগী অনিল চন্দ্র দাস গ্রেপ্তার আমতলীকে বাল্যবিবাহমুক্ত উপজেলা ঘোষণা খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজের মানসিক পরিবর্তন সম্ভব: রিয়াদ চৌধুরী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য সহকারী নাজিমুদ্দিনকে বদলী ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী বরগুনার শ্রেষ্ঠ ওসি আমতলী থানার ইয়াকুব হোসাইন ফতুল্লায় ড্রেজার ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি গুলি ও ভাঙচুর ফতুল্লায় ওলামা দলের উদ্যোগে ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

মীরুর মহিদুল এখন টিটুর ডেরায়!

সোহেল আহমেদ / ৮১ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন

রাজনীতিতে শেষ বলতে কিছু নেই এটি একটি সহজ ভাষা। রাজনীতির ময়দানে এক দলের নেতারা অপর দলের নেতাদের নিয়ে ফাটাফাটি বক্তব্য প্রদান করলেও ভেতরে কিন্তু একে অপরের পরিপুরক বন্ধু হিসেবে রাজনীতি করে। ঠিক তেমন অবস্থা দেখা যাচ্ছে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুর ক্ষেত্রে।

আওয়ামীলীগের শাসনামলে পাগলার কুতুবপুর জুড়েই ছিল আলোচিত মীর হোসেন মীরুর সাম্রাজ্য। এখন সেই মীরুর সাম্রাজ্য এখন টিটুর হেফাজতে এমনটাই দাবী কুতুবপুরবাসীর।

স্থানীয়রা জানান,এক সময়ে মীরুর আস্থাভাজন মহিদুল ছিলো মীরুর ছায়া অথ্যাৎ ছায়া মীরু। কুতুবপুর জুড়েই মীরুর অপরাধের সাম্রাজ্যগুলো মীরুর শেল্টারে নিয়ন্ত্রন করতো এ মহিদুল। ৫ আগষ্টের পটপরিবর্তনের পর রাতারাতি সেই মীরুর সেই ছায়ারুপী মহিদুল এখন থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুর আস্থাভাজনে রুপ নিয়েছে আর মীরুর পলায়নের পর মাত্র দুই বছরেই মীরু রেখে যাওয়া উপার্জনের খাত থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যান এ মহিদুল। শুধু মহিদুল নয়,তাকে পাশে রেখে মীরুর সেই খাতগুলো থেকে আসা বিপুল পরিমানে টাকার ভাগও নেন বিএনপি সভাপতি টিটু। আর মীরুর উপার্জনের টাকা হাতিয়ে নিতে উল্টো টিটুর পরামর্শে মহিদুল একটি অর্থ আত্মসাতের মামলাও করেন মীরুর বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা আরো জানান,বর্তমানেও কুতুবপুরে সেই আগের মীরুর হোসেন মীরুর সাম্রাজ্য রয়েছে মহিদুলের হাতে। তিনি নাকি এখন স্থানীয় বিএনপি নেতা এমনটাই গুঞ্জন রয়েছে কুতুবপুর জুড়ে। মীরুর সাম্রাজ্যের অন্যতম অন্যতম ছিলো ভুমিদস্যুতা,রোলিং মিলের পুরাতন মালামাল,লেগুন ষ্ট্যান্ড,হাট-বাজার, মাদক স্পটগুলো,অবৈধ গ্যাস সংযোগ হচ্ছে উল্লেখযোগ্য।

তারা বলেন, মীরুর অপরাধের সকল তথ্য রয়েছে তার এক সময়ের আস্থাভাজন মহিদুলের কাছে। আর সে কারনেই ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে মহিদুলকে কাছে টেনে নেই থানা বিএনপি সভাপতি টিটু। তাদের মতে,রাজনীতি মানে রাতারাতি টাকার কুমির বনে যাওয়া আর মহিদুলকে কাছে টেনে নিয়ে তার এক সময়কার ঘনিষ্ট মীর হোসেন মীরুর বিরুদ্ধে মহিদুল মামলাও দিয়েছে টিটুর কথায় এমনটাই গুঞ্জন রয়েছে কুতুবপুর জুড়ে।

তবে সার্বিক দিক বিবেচনায় স্থানীয়রা জানান,আওয়ামী ঘেষা মহিদুলকে তুরুপের তাস বানিয়ে সেন্টুকে ল্যাং মেরে থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু এখন কুতুবপুরের আরেক প্রভাবশালী বনে গেছেন এমনটাই বলছেন তারা। তবে মহিদুলের সহযোগিতার মাধ্যমে মীরুর যাবতীয় অপরাধ জগতের নতুন অধিপতি হয়েছেন টিটু। কারন মীরুর ভুমিদস্যুতা,রোলিং মিলের পুরাতন মালামাল,লেগুন ষ্ট্যান্ড,হাট-বাজার, মাদক স্পটগুলো,অবৈধ গ্যাস সংযোগ এর মত যাবতীয় অবৈধ কাজগুলো নিয়ন্ত্রন করছে টিটু ও তার ভাই-ভাতিজারা।

আওয়ামীলীগের শাসনামলে সেন্টুর সাথে প্রতিদ্বন্ধিতা ছিল মীরুর সাথে। আর মীরুর যাবতীয় কর্মকান্ডগুলো তারই এক সময়কার সহযোদ্ধা মহিদুলকে দিয়ে অধিপতি বনে যান টিটু। অথচ মাঠে-ময়দানে-মিছিলে-মিটিংয়ে আওয়ামী বিরোধী শ্লোগানে মশগুল থাকা টিটুর পাশে জোকের মত লেগে থাকা মহিদুলকে দেখে স্থানীয়রা যেন চুপসে গেছেন। কারন টিটুর মুখে প্রতিবাদী সুর আর বাস্তবে একসাথে উঠা-বসাটাও যেন রাজনীতির মাঠকে বিতর্কে ফেলার একটি অপকৌশল। তবে মীরুর মহিদুলকে টিটুর ডেরায় দেখে হতবাক তৃনমুল বিএনপি নেতাকর্মীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রবীন বিএনপির একাধিক নেতা জানান, রাজনীতিতে একটি রুপ থাকার প্রয়োজন হলেও দলের উচ্চ পদে আসীন নেতাদের রুপ কিংবা ভুমিকা কোনটাই কর্মীদের কাছে শিক্ষনীয় নয়। কারন একজন সিনিয়র নেতা হলো কর্মীদের কাছে শিক্ষকের মত। কিন্তু শিক্ষকের চরিত্রই যদি ঠিক না হয় অথ্যাৎ মাঠে আওয়ামী বিরোধী বক্তব্য আর সাথে নিয়ে উঠাবসার বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর