মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
অনিল দাসকে ছাড়াতে থানায় বিএনপি নেতা মিথুন ও আওয়ামী দোসর বাচ্চুর দৌড়ঝাঁপ ফতুল্লার পাগলা থেকে শামীম ওসমানের সহযোগী অনিল চন্দ্র দাস গ্রেপ্তার আমতলীকে বাল্যবিবাহমুক্ত উপজেলা ঘোষণা খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজের মানসিক পরিবর্তন সম্ভব: রিয়াদ চৌধুরী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য সহকারী নাজিমুদ্দিনকে বদলী ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী বরগুনার শ্রেষ্ঠ ওসি আমতলী থানার ইয়াকুব হোসাইন ফতুল্লায় ড্রেজার ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি গুলি ও ভাঙচুর ফতুল্লায় ওলামা দলের উদ্যোগে ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা আমতলীতে ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার ডেঙ্গু হটস্পট ধ্বংস,পরিচ্ছন্নতা থেকে সবুজায়ন- এক উদ্যোগে চমকে দিল নারায়ণগঞ্জ সদর প্রশাসন!

অনিল দাসকে ছাড়াতে থানায় বিএনপি নেতা মিথুন ও আওয়ামী দোসর বাচ্চুর দৌড়ঝাঁপ

মো. সোহেল আহমেদ / ৪১ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৩ অপরাহ্ন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকা অনিল চন্দ্র দাসকে গ্রেপ্তারের পর তাকে ছাড়াতে থানায় তদবিরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা মাজহারুল আলম মিথুন ও আওয়ামী দোসর মাহবুবুর রহমান বাচ্চুর বিরুদ্ধে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে পাগলা বাজার জেলেপাড়া এলাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে অনিলকে গ্রেপ্তার করার পরপরই ফতুল্লা মডেল থানায় ছুটে যান তারা। রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত তাদের থানা কম্পাউন্ডে অবস্থান ও ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে পাগলা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনিল চন্দ্র দাসকে আটক করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। স্থানীয়ভাবে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে দাবি করা হয়। শামীম ওসমানসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর সঙ্গে তার একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

অনিল চন্দ্র দাসকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের নৌকার চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিত মনিরুল আলম সেন্টুর ভাই ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মাজহারুল আলম মিথুন এবং শামীম ওসমানের কাছের ছোট ভাই হিসেবে পরিচিতি মাহবুবুর রহমান বাচ্চু কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে থানায় উপস্থিত হন। অভিযোগ রয়েছে, তারা অনিলকে ছাড়িয়ে নেওয়ার বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ ও তদবিরের চেষ্টা করেন।

বিষয়টি সাংবাদিকদের নজরে এলে থানার ভেতরে তাদের দীর্ঘ সময় অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। থানা প্রাঙ্গণে উপস্থিত সাংবাদিকরা মিথুন ও বাচ্চুর কাছে অনিল চন্দ্র দাসকে ছাড়াতে আসার কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, আমাদের পাগলা বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সদস্য, তাই দেখতে এসেছি, দেখি কিছু করা যায় কি না। তবে একজন আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট হিসেবে পরিচিত ব্যক্তির গ্রেপ্তারের পর তাকে নিয়ে থানায় তদবিরের অভিযোগ কেন উঠেছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দিতে পারেননি তারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্টের আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলায় অনিল চন্দ্র দাসের সম্পৃক্ততা ছিল। তবে গ্রেপ্তারের পর তার রাজনৈতিক পরিচিতি ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এদিকে একই ঘটনায় বিএনপির একজন দায়িত্বশীল নেতার থানায় উপস্থিতি এবং একজন আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর