শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
সোনারগাঁয়ে ১৭০২ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ আলীগঞ্জে একাব্বর মাতবর ফাউন্ডেশন (আবু বাড়ি) শুভ উদ্বোধন, আব্দুল ওয়াহেদ সভাপতি ও মো. সাখাওয়াত জেলা পরিষদ সংলগ্ন কাইস্যাবাড়ি এলাকায় মুন্নুর জমজমাট মাদক ব্যবসা খেলা’ ছেড়ে ‘যুদ্ধের’ ডাক শামীম ওসমানের কবরস্থানের নামকরণ ও জমির মালিকানা নিয়ে কলমাকান্দায় দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ৫৬ আমতলীতে ছোনাউঠা-নীলগঞ্জের মানুষের পাশে হাওলাদার সমাজ কল্যাণ সংস্থা, কাঠের ব্রিজ নির্মাণে ২০ হাজার টাকা সহায়তা দেলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক জুয়েল রানার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির দৌড়ে মির্জা ফখরুল, ছাড়লেন মন্ত্রিত্ব ও মহাসচিব পদ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে: রাত ৮টায় দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ নারায়ণগঞ্জের এসপি মিজানুর রহমান মুন্সীকে হাইওয়ে পুলিশে বদলি

ফতুল্লার বক্তাবলীতে হত্যা মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে” পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

মো. সোহেল আহমেদ / ৯৯ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন বক্তাবলী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আমজাদ হোসেন বাঁধনের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা হত্যাসহ একাধিক মামলার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পিংকি আক্তার নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দীনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেন বাঁধন, ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ইউপি সদস্য আকিল উদ্দিন এবং ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা রাসেল চৌধুরী।

মামলার আসামি হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের এমন প্রকাশ্য উপস্থিতি এবং সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে অংশগ্রহণের ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এসব নেতার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করার অভিযোগও রয়েছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন আমজাদ হোসেন বাঁধন। তার রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই তিনি দীর্ঘদিন এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছিলেন।

এদিকে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সর্বজনগ্রহণযোগ্য হিসেবে পরিচিত ২ নং প্যানেল চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনকে দায়িত্ব না দিয়ে ৩ নং প্যানেল চেয়ারম্যান পিংকি আক্তারকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করার প্রক্রিয়ায় আমজাদ হোসেন, আকিল উদ্দিন ও রাসেল চৌধুরী সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

স্থানীয়দের দাবি, আমজাদ হোসেন বাঁধন, আকিল উদ্দিন ও রাসেল চৌধুরীর বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার হত্যাকাণ্ডসংক্রান্ত একাধিক মামলার অভিযোগ রয়েছে। এরপরও তারা প্রকাশ্যে ইউনিয়ন পরিষদে যাতায়াতসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন। ফলে মামলার অগ্রগতি ও আইন প্রয়োগের বিষয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর