ফতুল্লার মাসদাইর পৌর শ্মশানটি মাদকের আখড়ায় রুপান্তরিত করার অন্যতম মহানায়ক সবুজকে সেখান থেকে বের করে দেয়ার পর আবারও সেখানে প্রবেশ করতে অপতৎপরতা চালাচ্ছে বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে। সবুজ ছিলেন পৌর শ্মশানের পুরোহিত শান্তি ঘোষালের ভাতিজা।
সুত্রে জানা যায় যে, মাসদাইর পৌর শ্মশানের অভ্যন্তরে মাদক সেবীদের যে ঘাটি তৈরী হয়েছিল তার মহানায়ক হিসেবে ভেসে উঠেছিল শান্তি ঘোষালের ভাতিজা সবুজের নাম। শ্মশানের ভেতরে থাকা তিনতলা ভবনের ভেতরেই চলতো সবুজের এ মাদক সেবনের আখড়া। শুধু মাদক সেবন নয়,বাহির থেকে অপরিচিত বোরকা পড়া নারীরাও যেত সবুজের সেই ভবনে। সেখানে নাকি ঝাড়-ফুকের কাজ করতো সবুজ।
সবুজের এ সকল অপকর্ম ধীরে ধীরে সকলের নজরে চলে আসলে প্রায় ৪ মাস পুর্বে তাকে শ্মশান থেকে বের করে দেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু দীর্ঘদিন শ্মশানের বাহিরে থাকলে বর্তমানে আবারও চাচার আর্শীবাদে শ্মশানে প্রবেশের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বিতর্কিত সবুজ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান,মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অ্যাড.খোকন সাহার ধর্ম বাবা পরিচয় দিয়ে বিগত সময়ে প্রায় ১৭ বছর পৌর শ্মশানের অভ্যন্তরে যাবতীয় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে পুরোহিত শান্তি ঘোষালগংদের মাধ্যমে। নাসিকের বর্তমান প্রশাসক নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাড.সাখাওয়াত হোসেন খানকেও নিজের বন্ধু পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছে শান্তি ঘোষাল। কারন মহানগর পুজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক শিপন সরকার শিখন হচ্ছেন পুরোহিত শান্তি ঘোষালের বন্ধু।
তারা আরও বলেন,শান্তি ঘোষালের ভাতিজা পুরো শ্মশান জুড়েই অপরাধের আখড়া তৈরী করেছিল। শ্মশানের অভ্যন্তরে মাদক সেবনকারী ও ছিনতাইকারীদের অভয়ারন্যে পরিনত করার নায়ক হিসেবে সবুজের অবদান সবচেয়ে বেশী বলে দাবী করেন তারা। সবুজের এধরনের অপরাধের সর্ম্পৃক্ততা প্রকাশ পেলে শ্মশান কর্তৃপক্ষ সবুজকে সেখান থেকে বের করে দিলে সেখানে অবস্থানরত চাচা শান্তি ঘোষালের মাধ্যমে পুনরায় সেখানে পুর্নবহালের জন্য উঠে-পড়ে লেগেছে। তারা আরও বলেন,সবুজ বিগত প্রায় ৪ মাস না থাকার ফলে শ্মশানের অভ্যন্তরে কোন মাদক সেবনকারী কিংবা ছিনতাইকারীদের আনাগোনা ছিলনা বললেই চলে। কিন্তু গত কয়েকদিন যাবত শ্মশানের ভেতরে সবুজের নতুনভাবে আগমনের পর আবারও মাদক সেবী ও ছিনতাইকারীদের আনাগোনা বেড়ে গেছে ব্যাপকভাবে।
সেখানে অবস্থানকারীদের মতে, মাদক-ছিনতাইকারীদের হোতা এবং শ্মশানের অভ্যন্তরে ঝাড়-ফুকের মহানায়ক সবুজ যেন কোনভাবেই পুনরায় পৌর শ্মশানের প্রবেশ করতে না পাওে সেজন্য শ্মষান কর্তৃপক্ষ ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাড.সাখাওয়াত হোসেন খানের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন সনাতন ধর্মের সাধারন মানুষ।