সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জে বিএনপির দুই নেতার পদ স্থগিত ফতুল্লায় বস্তাবন্দি অজ্ঞাত তরুণীর মরদেহ উদ্ধার আবারও পৌর শ্মশানে ঢুকতে অপরাধের মহানায়ক সবুজের অপচেষ্টা! ফতুল্লায় ৩২ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার কৃষক দলের মিছিলে আওয়ামী লীগের সামেদ বাহিনী হামলা চালিয়েছে- বিএনপি নেতা হালিম আজাদ চাঁদাবাজির তালিকায় শীর্ষে নারায়ণগঞ্জ, এসআরবির নথিতে ৫৬৫ জনের নাম বক্তাবলীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ হৃদয় ও টেঁটাবিদ্ধ রাজু আমতলীতে কলেজের নবীনবরণে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান, ছাত্রলীগ নেতাসহ চার শিক্ষার্থী পুলিশ হেফাজতে আমতলী চৌরাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ বক্স নেই, রোদ-বৃষ্টিতে ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন নারায়ণগঞ্জে ক্রীড়া উন্নয়ন ও প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরিতে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময়

রক্ত নিতে গিয়ে শিশুর হাত অবশ! কসাইখানায় পরিণত চাষাড়ার পপুলার ডায়াগনস্টিক?

মোঃ সোহেল আহমেদ / ৯৫৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে চিকিৎসাসেবা প্রদানে অবহেলার অভিযোগ তুলে বিচার, ক্ষতিপূরণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার সেহাচর তক্কারমাঠ এলাকার বাসিন্দা আল আমিন চৌধুরী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আল আমিন চৌধুরী অভিযোগ করেন, তার ১৬ মাস বয়সী ভাতিজা রাইয়ানকে মাথার একটি ছোট ফোঁড়ার চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক ডা. শফিউল আলমের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসক প্রয়োজনীয় কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিলে তারা চাষাড়ার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান।

তার দাবি, সেখানে রক্ত সংগ্রহের সময় দায়িত্বে থাকা অদক্ষ কর্মীরা শিশুটির ডান হাত থেকে রক্ত নিতে একাধিকবার চেষ্টা করেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে সুই প্রবেশ করানোর ফলে শিশুটি তীব্র ব্যথায় কাঁদতে থাকে। পরে অল্প পরিমাণ রক্ত সংগ্রহ করে পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। বাসায় ফেরার পর থেকেই শিশুটির ডান হাত ফুলে যায় এবং সারারাত ব্যথায় কাতরাতে থাকে।

পরদিন পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে পুনরায় চিকিৎসকের কাছে গেলে শিশুর হাত দেখে দ্রুত ঢাকার কোনো শিশু হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। পরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা শিশুটিকে ভর্তি করে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান।

আল আমিন চৌধুরীর ভাষ্য অনুযায়ী, পরীক্ষার ফলাফলে চিকিৎসকরা জানান, শিশুটির কনুই থেকে আঙুল পর্যন্ত রক্ত চলাচলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালিতে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার করা হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে আল আমিন চৌধুরী বলেন, তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন। একই সঙ্গে তিনি বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তবে তিনি তার পোস্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, চিকিৎসক ডা. শফিউল আলমের বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ নেই। তার দাবি, ঘটনার সম্পূর্ণ দায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রক্ত সংগ্রহে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর