বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
​২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম: ক্ষমা না চাইলে দুদকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবেন আসিফ ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমে ১৫৮৫ ফতুল্লায় আওয়ামী নেতা পিতা-পুত্রের তাফালিং,জমি দখলের অপচেষ্টা লক্ষীনারায়ণ কটন মিলস দূর্গা মন্দির দখলমুক্ত করতে ডিসি বরাবর বিএসপি’র স্বারক লিপি প্রদান ফতুল্লায় র‍্যাবের অভিযান: ঝোপের ভেতর থেকে বিদেশি এয়ার রাইফেল উদ্ধার একজনকে আটকের পর মিলল গোডাউনের সন্ধান: বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার- ২ আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বর্ণের চেইন ছিনতাইকালে নারী আটক, প্রশংসিত আনসার সদস্যরা ফতুল্লায় শীর্ষ দুই নেতার ওপর হামলা: বিএনপি নেতা মোহনের পদ স্থগিত মাটি কাটার দিনমজুর থেকে কোটিপতি: মসজিদের টাকায় ফতুল্লায় বাবুল-হেনার রাজপ্রাসাদ

আমতলীতে ডিজিটাল ভূমি জরিপে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, শতাধিক কৃষকের মানববন্ধন

মাইনুল ইসলাম রাজু আমতলী -বরগুনা / ৯৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন

বরগুনার আমতলী উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের তারিকাটা গ্রামে ডিজিটাল ভূমি জরিপ কার্যক্রমে ঘুষ দাবি, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় আরপাঙ্গাশিয়া বাজারে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক কৃষক ও ভূমি মালিক অংশগ্রহণ করেন।

 

 

উপজেলা সেটেলমেন্ট কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ৩৩ নম্বর তারিকাটা মৌজায় ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর ডিজিটাল ভূমি জরিপ কার্যক্রম শুরু হয়। শুরু থেকেই জরিপ কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে এক ব্যক্তির জমি অন্যের নামে রেকর্ড করে দেওয়ার অভিযোগ করে আসছেন ভূমি মালিকরা।

 

বর্তমানে এসব অভিযোগ ব্যাপক আকার ধারণ করায় এবং অনিয়ম বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার সকালে তারিকাটা গ্রামের শতাধিক কৃষক আরপাঙ্গাশিয়া বাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

 

স্থানীয় কৃষক মো. জাকির হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সমাজসেবক মো. সরোয়ার হোসেন হাওলাদার, মো. জাফর হোসেন বিশ্বাস, মো. কামাল মৃধা, মো. হযরত আলী ও মো. রব শরীফ।

 

বক্তারা অভিযোগ করেন, আমতলী উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে ডিজিটাল ভূমি জরিপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি ঘুষের বিনিময়ে একজনের জমি অন্যজনের নামে রেকর্ড করে দিচ্ছেন। এছাড়া একটি খতিয়ানকে অযৌক্তিকভাবে একাধিক খতিয়ানে বিভক্ত করে পরে তা সংশোধনের জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করা হচ্ছে। তাদের দাবি, টাকা ছাড়া অফিসে কোনো কাজই হচ্ছে না।

 

ভুক্তভোগী কৃষক মো. জাফর বিশ্বাস বলেন, “আমার আটটি খতিয়ান ভেঙে ৪২০টি খতিয়ান তৈরি করা হয়েছে। পরে সংশোধনের জন্য অফিসে গেলে আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়।”

 

কৃষক জাকির হোসেন হাওলাদার বলেন, “আমার পাঁচটি দাগের জমি অন্যের নামে রেকর্ড করা হয়েছিল। পরে অফিসের শফিকুর রহমান নামের একজনকে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা দিলে বিষয়টি ঠিক করে দেওয়া হয়।”

 

আরেক ভুক্তভোগী কৃষক কামাল মৃধা বলেন, “আমার পৈত্রিক সম্পত্তি ভুলভাবে প্রতিবেশী রেহেনা নামের এক নারীর নামে রেকর্ড করা হয়েছিল। পরে অর্থ ব্যয় করে তা সংশোধন করতে হয়েছে।”

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আমতলী উপজেলা সেটেলমেন্ট কার্যালয়ের সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, “ঘুষ, অনিয়ম ও দুর্নীতির যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমাদের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন।”

 

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং সেটেলমেন্ট অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলা হবে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর