নারায়ণগঞ্জ মহানগর গণ-অধিকার পরিষদের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুল ইসলাম ভূইয়া (৩৫) ও তার দুই ভাই সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারামারির অভিযোগে গত ১১ সেপ্টেম্বর সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন জনৈক শফিকুল ইসলাম।
মামলার অন্য আসামিরা হলো- আরিফুল ইসলামের দুই ভাই মো. আল-আমিন ভূইয়া (৩৮) ও মো. সজীব ভূইয়া (২৫), মোঃ সেন্টু ভূইয়াঁ (৩০) ও আমজাদ হোসেন (৩৫)। এতে অজ্ঞাত আরো ১০/১২ জনকেও আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকার জনৈক সফিউদ্দিন মিয়া ও সুমন আহম্মেদ এর ৬০ শতাংশ জমি শফিকুল ইসলাম, মোস্তফা কামাল, সুবেদ আলী, শহীদুল্লাহ, মোহাম্মদ আলী, জাকির হোসাইন সম্মিলিতভাবে রেজিষ্ট্রি বায়নায় ক্রয় করেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র’সহ জোরপূর্বক অবৈধভাবে ভুক্তভোগীদের জমিতে সাইনবোর্ড স্থাপনের চেষ্টা করলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা প্রদান করে। এসময় অভিযুক্তরা তাদের উপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতরা নারায়ণগঞ্জ খানপুর (তিনশ শয্যা) হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়।
নাসিক ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, আমরা কয়েকজন মিলে একটি জমি এক কোটি ত্রিশ লক্ষ টাকায় বায়না রেজিষ্ট্রি সূত্রে মালিক হয়ে ভোগ-দখলে আছি। হঠাৎ আরিফুল ও তার দুই ভাই সহ আরো ১০/১২ জন মিলে আমাদের জমিতে সাইনবোর্ড স্থাপনের চেষ্টা করে। এতে বাধা প্রদান করায় তারা শফিকুল ইসলাম, নবির হোসেন ও রাজা মিয়ার উপর হামলা করে গুরুতর আহত করে।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহ বলেন, মারামারির অভিযোগে গণ-অধিকার পরিষদ নেতা, তার ভাই ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।