বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
ফতুল্লায় ১০পাতা হেরোইনসহ মোহন গ্রেপ্তার ফতুল্লায় এএসআই হামিদ খানকে বহালের দাবিতে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ আবেদন ফতুল্লায় বৈষম্যবিরোধী মামলার আসামি তাঁতী লীগ নেতা ইপু গ্রেপ্তার বকশীগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণসভায় উত্তেজনা: তোলারাম কলেজে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৮-১০ ফতুল্লায় থানার ভেতরে ‘সমঝোতা’ নাকি ‘সালিশ’? প্রশ্নের মুখে পুলিশ কর্মকর্তা আমতলীতে সোনালী লাইফ ইন্সুরেন্স পিএলসি’র মাসিক ব্যবসায়ীক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত পানিবন্দী শতাধিক পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মেয়র প্রার্থী হাজ্বী রাসেল মাহমুদ ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট উপলক্ষে কলমাকান্দায় বিএনপির বিজয় র‍্যালি বন্দরে মা ও চার কন্যাকে আটকে নির্যাতনের ঘটনায় থানায় অভিযোগ

ফতুল্লায় থানার ভেতরে ‘সমঝোতা’ নাকি ‘সালিশ’? প্রশ্নের মুখে পুলিশ কর্মকর্তা

উজ্জীবিত বাংলাদেশ ডেস্ক / ১০৭ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে থানার অভ্যন্তরে সালিশ বৈঠক পরিচালনার অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের তীর থানার এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. শফিকুল ইসলামের দিকে। যদিও তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তবে তার দেওয়া ভিন্নধর্মী বক্তব্য বিষয়টিকে আরও আলোচনায় এনে দিয়েছে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) পারিবারিক বিরোধসংক্রান্ত একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট স্বামী-স্ত্রীসহ উভয় পক্ষকে ফতুল্লা মডেল থানায় ডাকা হয়। সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর থানার ক্যান্টিনসংলগ্ন একটি নিরিবিলি স্থানে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে উভয় পক্ষকে নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা বা সালিশধর্মী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানার অভ্যন্তরে অনানুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া পরিচালনার অভিযোগ ওঠে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সালিশ পরিচালনা করা পুলিশের আইনি দায়িত্ব নয়। পুলিশের দায়িত্ব অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা। বিচার বা সালিশের মতো কার্যক্রম তাদের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি কোনো ধরনের সালিশ পরিচালনা করেননি; কেবল অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সংশ্লিষ্টদের থানায় আনা হয়েছিল।

তবে একই কথোপকথনে তিনি আরও বলেন, “সারাদিন মোটরসাইকেলে দায়িত্ব পালন করেছি। আবার তিন পক্ষের বিচার-সালিশ করতে গিয়ে মাথা জ্যাম হয়ে গেছে।” তার এই মন্তব্যকে ঘিরেই অভিযোগের সত্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, থানার কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিচার বা সালিশ পরিচালনার আইনি ক্ষমতা নেই।

একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) শামীম মোর্শেদ। তিনি বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী থানার কোনো কর্মকর্তা বিচার বা সালিশ পরিচালনা করতে পারেন না।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর