জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাউছার আহমেদ পলাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টকে ঘিরে আওয়ামী লীগের তৎকালীন পরিস্থিতি, দলের নেতাদের ভূমিকা এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। তার ওই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে কাউছার আহমেদ পলাশ লেখেন: ২০২৪ সালের আজকের এই দিনে এই সময়ে আমরা লড়ে যাচ্ছিলাম ফতুল্লা ও নারায়ণগঞ্জ এলাকায়। অথচ আওয়ামীলীগের অনেক নেতা মন্ত্রী এম পি দেশরত্ন শেখ হাসিনা কে রেখেই এয়ারপোর্ট দিয়ে দেশের বাইরে চলে গিয়েছিল। ৫ আগস্টের আগেই যারা দেশত্যাগ করেছিলো সে সমস্ত অমানুষদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে জবাব না চাইলে এটা তৃনমূলের সাথে প্রতারণার শামিল।
আর যারা এখন সরকারের সাথে আতাত করে নিজেদের ব্যবসা বানিজ্য বাংলাদেশে চালাচ্ছে এবং যাদের আত্মীয় স্বজনরা স্বাভাবিক জীবন যাপন করতেছে ঘুরে বেড়াচ্ছে আওয়ামীলীগ দেখলে না চেনার ভান করছে আর যাই হউক তাদের খবরদারি মানবোনা চলবেনা।
শেখ হাসিনা একমাত্র ঐক্যের প্রতীক। শেখ হাসিনার সরকার কে যারা লুটপাটের হাতিয়ার হিসেবে ব্যব্যবহার করেছে তাদের খবরদারি এবং নতুন করে দলের মধ্যে চাঁদাবাজি চলবেনা মানবোনা। কথা পরিষ্কার শেখ হাসিনা ছাড়া কোন নেতা নাই, শেখ হাসিনা ছাড়া কোন গান্ডুদের অযাচিত খবরদারি চলবেনা।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের ওই সংকটময় সময়ে ফতুল্লা ও নারায়ণগঞ্জে তারা মাঠে ছিলেন, অথচ আওয়ামী লীগের অনেক শীর্ষ নেতা, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য দেশত্যাগ করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি দলত্যাগকারী ও বিদেশে চলে যাওয়া নেতাদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান।
এছাড়া বর্তমান সময়ে সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করে ব্যবসা পরিচালনা এবং দলীয় পরিচয় অস্বীকার করার অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্টদের সমালোচনা করেন তিনি। পোস্টের শেষাংশে শেখ হাসিনাকে দলের ঐক্যের প্রতীক উল্লেখ করে তার বাইরে অন্য কোনো নেতৃত্ব বা কর্তৃত্ব মেনে নেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন।