নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদারের ওপর অতর্কিত হামলা ও হত্যাচেষ্টা চালিয়েছে দুষ্কৃতকারীরা।
জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে ফতুল্লা স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় রাস্তা বন্ধ রেখে মানুষের ভোগান্তি তৈরি করা হচ্ছে,বিএনপি নেতা আনিসুর রহমানের মাধ্যমে এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান রুহুল আমিন সিকদার। কিছুক্ষণ পর আনিসুর রহমানও সেখানে পৌঁছান। রাস্তা আটকে জনভোগান্তি তৈরির বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আনিসুর রহমান কথা বললে স্থানীয় মোহন ও আলতাফ গংরা তাকে চড়-থাপ্পড় মারে।
এ সময় বিএনপি নেতা রুহুল আমিন সিকদার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এভাবে চড়-থাপ্পড় না মারলেও পারতেন। এ কথা বলা মাত্রই আলতাফ ও মোহন গংরা ক্ষিপ্ত হয়ে রুহুল আমিন সিকদারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং তাকে হত্যার চেষ্টা করে। সন্ত্রাসীদের এই হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে ফতুল্লা থানা বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
হামলার শিকার বিএনপি নেতা রুহুল আমিন সিকদার বলেন, এই আঘাত শুধু শরীরে লাগেনি, লেগেছে কলিজায়। আশপাশের সুপারস্টার শোরুমের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করলেই প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হয়ে যাবে।” তিনি আরও জানান, অতীতের কোনো ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক আক্রোশ থেকে মোহন ও আলতাফ গংরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, রুহুল আমিন সিকদারের ওপর এ হামলা সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত। এ ন্যাক্কারজনক হামলা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ প্রত্যক্ষদর্শীরা।
দলীয় সূত্র জানায়, রুহুল আমিন সিকদার বিগত আওয়ামী সরকারের শাসনামলে বহু মিথ্যা মামলা, হামলা ও রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই ত্যাগী নেতার ওপর এমন সন্ত্রাসী হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ও দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোহন ও আলতাফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো ফোন নম্বর না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।