বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোনারগাঁয়ে গ্রেপ্তার ফতুল্লায় তৃতীয় দিনের আন্দোলনেও উত্তাল শ্রমিকরা, পুলিশের সঙ্গে ফের সংঘর্ষ ফতুল্লায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় বসতঘরে হামলা, বৃদ্ধা মা ও ছেলে আহত কাঠেরপুল থেকে গ্রেপ্তার আজমতের অনুসারী আফসু হৃদয় আমতলীতে ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার, পলাতক জামাতা দমন-পীড়নে শ্রমিক আন্দোলন থামবে না, দ্রুত মজুরি ঘোষণার দাবি মজদুর পার্টির জমি-বীজ-অধিকার: কৃষকের লড়াই জোরদারে সাতক্ষীরায় অ্যাক্টিভিস্ট প্রশিক্ষণ আমতলীতে জেন্ডার সমতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে ৩৬ তরুণ-তরুণীকে নিয়ে কর্মশালা এমপিপুত্রের ছত্রছায়ায় মার্কেট দখল? বিএনপি নেতা হিরনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ মাদকবিরোধী অভিযান চলছে জেলাজুড়ে, আলআমিন নগরে অধরা কারবারিরা!

কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোনারগাঁয়ে গ্রেপ্তার

উজ্জীবিত বাংলাদেশ ডেস্ক / ৩১ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন

গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবু মোকারমকে (৪৪) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১১)।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি-১১-এর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, আবু মোকারম চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। ২০১৩ সালের ৯ জুলাই থেকে তিনি কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট কারাগারে সংঘটিত দাঙ্গা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের সুযোগে অন্যান্য বন্দীর সঙ্গে তিনিও পালিয়ে যান।

এসআরবি জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরদিন সকালে কারাগারের বন্দীরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা কারারক্ষীদের জিম্মি করে ফেলেন। পরে বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙে তৈরি করা মই ব্যবহার করে কারাগারের সীমানাপ্রাচীর অতিক্রম করে বন্দীরা পালিয়ে যান। এ ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করে।

কারাগার থেকে পালানোর পর আবু মোকারম আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করেন। নিজের প্রকৃত পরিচয় আড়াল করে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। একপর্যায়ে এসআরবি-১১-এর গোয়েন্দা নজরদারি ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোনারগাঁয়ের মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০০৯ সালের নভেম্বর মাসে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানায় হত্যা মামলা নম্বর ৭(১১)২০০৯ দায়ের করা হয়। দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দায়ের করা ওই মামলায় আবু মোকারম ছিলেন এক নম্বর আসামি। পারিবারিক বিরোধের জেরে তিনি সহযোগী আসামিদের নিয়ে তার বোনের চাচি শাশুড়িকে হত্যা করে বাড়ির পাশের ধানখেতে ফেলে রাখেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৩ সালের ১৯ মে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত আবু মোকারমকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। হত্যাকাণ্ডে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন বলে জানিয়েছে এসআরবি।

গ্রেপ্তার আবু মোকারমের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর