নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের চরবক্তাবলী মৌজায় জাল দলিলের মাধ্যমে প্রায় দেড় একর জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে কাশিপুরের চিহিৃত ভুমিদস্যু মো.সুমন ও তার সহযোগি শাহীনের বিরুদ্ধে। জমি ফিরে পেতে ভুক্তভোগী একাধিকবার সুমন-শাহীনগংদের সাথে এবং থানায় জিডি করেও কোন সুরাহা পায়নি।
ভুক্তভোগী জমির মালিক আবদুর রব জানান, চলতি বছরে চরবক্তাবলী মৌজাস্থিত সিএস ২৩৭৪ দাগের এক এশর ৬০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। তিনি উক্ত জমি ক্রয় করার পরই ১৯৫৬ সালের একটি জাল দলিল যার নং ৮৪০৮, এর মাধ্যমে জোড়পুর্বক দখল পুর্বক দেয়াল দিয়ে নিজেদের দখলে নিয়ে যায় কাশিপুরের চিহিৃত ভুমিদস্যু ডাকাত গেসুপুত্র সুমন এবং তার সহযোগি শাহীন।
স্থানীয়দের দেয়া তথ্যসুত্রে জানা যায় যে, ডাকাত গেসুর ছেলে সুমন অত্র এলাকাতে একজন চিহিৃত ভুমিদস্যু হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। সাধারন নিরীহ মানুষের ক্রয়কৃত সম্পত্তি জাল দলিল সুজন করে দখলে নিয়ে তা বিভিন্ন গার্মেন্টস মালিকদের কাছে বিক্রি করে থাকে। সুমনের সহযোগি শাহীন উক্ত এলাকাতে ব্যানটিজ নামে একটি রপ্তানীমুখি গার্মেন্টস করেছেন। আর যার ফলে সেখানে নিরীহ মানুষের জমিগুলো জোড়পুর্বক নামমাত্র ক্রয় করে তা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে শাহীনের কাছে বিক্রি করছে সুমন।
স্থানীয়রা আরও জানান, বিগত আওয়ামীলীগের শাসনামলে শামীম ওসমান ও আজমেরী ওসমানের ক্ষমতাবলে এষানকার বিভিন্ন নিরীহ মানুষের জমিগুলো জোড়পুর্বক দখলে নিয়ে অন্যত্র বিক্রি করেছে সুমন। বর্তমানে বিএনপির কিছু নেতাদের মদদে প্রকাশ্যেই পুর্বের ন্যায় চালিয়ে যাচ্ছে ভুমিদস্যুতা। অথচ ছাত্র-জনতার উপর হামলার দায়ে ফতুল্লা মডেল থানার একাধিক বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলার আসামী এ গেসুপুত্র ভুমিদস্যু সুমন। প্রকাশ্যে চলাচল করলেও টাকা ও বিএনপি নেতাদের ক্ষমতার প্রভাবে দিব্ব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে সুমন। তারা আরও বলেন,শুধু আবদুর রব নয় এমন শত শত নিরীহ মানুষের শেষ সম্বল ভিটেমাটিটুকু জোড়পুর্বক জাল দলিল সৃজন করে তাদের নিঃস্ব করেছে সুমন।
স্থানীয়রা অতিদ্রুত ভুমিদস্যু সুমন ও তার সহযোগি শাহীনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে জেলা পুলিশের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।