শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
আমতলীতে চুরি-ডাকাতি, মাদক, জুয়া, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং দমনে গ্রাম পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা বন্দরে বিপুল দেশীয় অস্ত্রসহ ‘কুখ্যাত ডাকাত’ খোকন চোক্কাসহ ৩ জন গ্রেফতার বন্দরে পূজার মেলায় ৩ যুবককে পিটিয়ে জখম, থানায় অভিযোগ ফতুল্লায় ভুল চিকিৎসায় ‘মেডি স্টার’ হাসপাতালে মা ও গর্ভের সন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যু ফতুল্লায় ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক রাসেলকে খুনের হুমকি দেওয়ানগঞ্জ প্রাইভেট কারে মিলল ২১৫ বোতল ভারতীয় মদ, আটক ২ বন্দরে দেশীয় অস্ত্রসহ মামুন ডাকাতের দুই সহযোগী গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার বন্দরে ​মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায়,পুড়িয়ে দেওয়া হলো ‘ফুলের বাগান রেস্টুরেন্ট’ অগ্রবাণী প্রতিদিনের প্রকাশক-সম্পাদক স্বপন কুমার পোদ্দার আর নেই লক্ষীনারায়ণ দুর্গা মন্দিরে বিসর্জন নয়, চলবে নিত্যপূজা: টনি মল্লিক

বন্দরে পূজার মেলায় ৩ যুবককে পিটিয়ে জখম, থানায় অভিযোগ

উজ্জীবিত বাংলাদেশ ডেস্ক / ২৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পূজার মেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিন যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা ও মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় ২৩ অক্টোবর রাতে ভুক্তভোগী মোঃ লিমন (১৯) বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন, বন্দর র‌্যালী আবাসিক এলাকার কিমন (৩০), মাসুদ (২৭), কালু (২৭), আনিস (২৮), বাপ্পি (২৫), আকাশ (২৬) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন। জানা গেছে, কিমন খান স্থানীয় প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা খান মাসুদের সহযোগি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এলাকায় মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে মারধর এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিল।

গত ২৩ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে বন্দর থানাধীন সিরাজদৌল্লা মাঠে আয়োজিত পূজার মেলা দেখতে যান বন্দর চৌধুরীবাড়ী এলাকার নুর আলমের ছেলে মোঃ লিমন এবং তার দুই বন্ধু ইয়ামিন (১৯) ও মুস্তাকিন (১৮)। মেলা চলাকালে তুচ্ছ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে বিবাদীরা ইয়ামিনকে মারধর শুরু করে। এ সময় লিমন ও মুস্তাকিন এগিয়ে গিয়ে প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা লোহার রড ও কাঠের বাটাম (ডাসা) দিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং এলোপাতাড়ি পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করে।

হামলার সময় ভুক্তভোগীদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে তাদের খুন করে লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

বাদী মোঃ লিমন জানান, হামলার পর চিকিৎসা গ্রহণ এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে আলোচনা করায় থানায় অভিযোগ দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর