বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
ফতুল্লায় খসরু-মজিবরের ছত্রছায়ায় নাদিম-সোহেলের রমরমা মাদক ব্যাবসা সন্ত্রাসমুক্ত নারায়ণগঞ্জ গঠনে ভূমিকা রাখছে ছাত্র জমিয়ত আমতলীর টিএসআই নারায়ণ চন্দ্র জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক অফিসার, পুরস্কার পেলেন পঞ্চমবার আমতলী থানার সাফল্যের স্বীকৃতি, টানা দ্বিতীয়বার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ইয়াকুব হোসাইন ফতুল্লায় চুনোপুঁটি আসমা গ্রেপ্তার, অধরা মূল হোতা শীর্ষ মাদক সম্রাট মনু সাধু আমতলীতে চুরি-ডাকাতি, মাদক, জুয়া, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং দমনে গ্রাম পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা বন্দরে বিপুল দেশীয় অস্ত্রসহ ‘কুখ্যাত ডাকাত’ খোকন চোক্কাসহ ৩ জন গ্রেফতার বন্দরে পূজার মেলায় ৩ যুবককে পিটিয়ে জখম, থানায় অভিযোগ ফতুল্লায় ভুল চিকিৎসায় ‘মেডি স্টার’ হাসপাতালে মা ও গর্ভের সন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যু ফতুল্লায় ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক রাসেলকে খুনের হুমকি

তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩

উজ্জীবিত বাংলাদেশ ডেস্ক / ১০৬ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন

নরসিংদীর মাধবদীতে তিন মাস বয়সী এক শিশুর পা মোচড় দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত চাচি লতা বেগম (৩২) পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তের স্বামীসহ পরিবারের তিন সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

ঘটনাটি সদর উপজেলার মাধবদী থানাধীন আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকারদী এলাকার চাঁনগাঁও গ্রামে ঘটে।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানান, কয়েক দিন আগের ঘটনার একটি ভিডিও মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে।

ভিডিওতে দাবি করা হয়, পারিবারিক বিরোধের জেরে শিশুটির পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে লতা বেগম ক্ষোভের বশে ঘরে ঢুকে তিন মাস বয়সী শিশু রিজিকের পা মোচড় দেন। ঘটনাটি শিশুটির মা গোপনে মোবাইল ফোনে ধারণ করেন এবং পরে গত ১১ জুলাই তার ভাই ইব্রাহিমের কাছে পাঠান। তবে ভিডিওটি কীভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের ভাষ্য, তদন্তে ভাইরাল ভিডিওতে প্রচারিত তথ্যের সঙ্গে শিশুটির মা-বাবার বক্তব্যে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। শিশুর বাবা জহিরুল হক জহির ও মা সাইফা জানিয়েছেন, ঘটনাটি পারিবারিকভাবে কয়েক দিন আগেই মীমাংসা হয়েছে। তাদের দাবি, শিশুর পা ভাঙেনি, সে সুস্থ রয়েছে এবং চিকিৎসা বা ব্যান্ডেজেরও প্রয়োজন হয়নি। এ ঘটনায় তারা কোনো অভিযোগও করেননি। তাদের অভিযোগ, ভিডিওতে অতিরঞ্জিত ও মনগড়া তথ্য যুক্ত করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত লতা বেগমের স্বামী কাউছার আহমেদ, শ্বশুর আলমাছ মিয়া এবং শাশুড়ি শেফালী বেগমকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। এ সময় একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

এদিকে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত লতা বেগমকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর