রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
আমতলীতে চুরি-ডাকাতি, মাদক, জুয়া, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং দমনে গ্রাম পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা বন্দরে বিপুল দেশীয় অস্ত্রসহ ‘কুখ্যাত ডাকাত’ খোকন চোক্কাসহ ৩ জন গ্রেফতার বন্দরে পূজার মেলায় ৩ যুবককে পিটিয়ে জখম, থানায় অভিযোগ ফতুল্লায় ভুল চিকিৎসায় ‘মেডি স্টার’ হাসপাতালে মা ও গর্ভের সন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যু ফতুল্লায় ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক রাসেলকে খুনের হুমকি দেওয়ানগঞ্জ প্রাইভেট কারে মিলল ২১৫ বোতল ভারতীয় মদ, আটক ২ বন্দরে দেশীয় অস্ত্রসহ মামুন ডাকাতের দুই সহযোগী গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার বন্দরে ​মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায়,পুড়িয়ে দেওয়া হলো ‘ফুলের বাগান রেস্টুরেন্ট’ অগ্রবাণী প্রতিদিনের প্রকাশক-সম্পাদক স্বপন কুমার পোদ্দার আর নেই লক্ষীনারায়ণ দুর্গা মন্দিরে বিসর্জন নয়, চলবে নিত্যপূজা: টনি মল্লিক

ইউএনওর পরিদর্শনে আর্থিক অনিয়ম, পদত্যাগ করলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক

‎মোঃ হারুন অর রশিদ, বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি: / ২০৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডিগ্রীরচর হেফাজউদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের বাৎসরিক আয়-ব্যয়ের হিসাবে অনিয়মের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পরিদর্শনে সামনে আসার পর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ববিন।
‎

রোববার তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন।
‎

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আসাদুজ্জামান ববিন বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক। ২০২২ সালে তৎকালীন প্রধান শিক্ষক জি. এম. এ. রহিম অবসরে গেলে তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পান। এরপর থেকে তিনি ওই দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
‎

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, গত বুধবার ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেন বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে গিয়ে বাৎসরিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনার সময় বিভিন্ন অসংগতি দেখতে পান। এ সময় প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপন এবং বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিদর্শনের তিন দিনের মাথায় রোববার তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।
‎

পদত্যাগের বিষয়ে আসাদুজ্জামান ববিন বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আয়-ব্যয়ের হিসাবের খসড়া সংরক্ষণ করা হয়েছিল। তবে চলতি বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করা হয়নি। এছাড়া বিদ্যালয়ের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা দেওয়া হয়নি। ব্যক্তিগত অসুস্থতার কারণেই আমি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।”
‎

উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার সজল কুমার ভদ্র বলেন, “সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিদ্যালয়টি পরিদর্শনের সময় প্রতিষ্ঠানটির আয়-ব্যয় সংক্রান্ত বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম শনাক্ত করেন। পরে রোববার বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।”
‎

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ জহুরুল হোসেন বলেন, “গত বুধবার বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে গেলে আয়-ব্যয় সংক্রান্ত কোনো নথিপত্র ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেখাতে পারেননি। রোববার তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বিষয়টি বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের আর্থিক বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
‎
‎জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডিগ্রীরচর হেফাজউদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের বাৎসরিক আয়-ব্যয়ের হিসাবে অনিয়মের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পরিদর্শনে সামনে আসার পর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ববিন।
‎

রোববার তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন।
‎

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আসাদুজ্জামান ববিন বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক। ২০২২ সালে তৎকালীন প্রধান শিক্ষক জি. এম. এ. রহিম অবসরে গেলে তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পান। এরপর থেকে তিনি ওই দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
‎

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, গত বুধবার ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেন বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে গিয়ে বাৎসরিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনার সময় বিভিন্ন অসংগতি দেখতে পান। এ সময় প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপন এবং বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিদর্শনের তিন দিনের মাথায় রোববার তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।
‎

পদত্যাগের বিষয়ে আসাদুজ্জামান ববিন বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আয়-ব্যয়ের হিসাবের খসড়া সংরক্ষণ করা হয়েছিল। তবে চলতি বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করা হয়নি। এছাড়া বিদ্যালয়ের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা দেওয়া হয়নি। ব্যক্তিগত অসুস্থতার কারণেই আমি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।”
‎

উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার সজল কুমার ভদ্র বলেন, “সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিদ্যালয়টি পরিদর্শনের সময় প্রতিষ্ঠানটির আয়-ব্যয় সংক্রান্ত বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম শনাক্ত করেন। পরে রোববার বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।”
‎

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ জহুরুল হোসেন বলেন, “গত বুধবার বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে গেলে আয়-ব্যয় সংক্রান্ত কোনো নথিপত্র ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেখাতে পারেননি। রোববার তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বিষয়টি বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের আর্থিক বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর