মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
আমতলীর টিএসআই নারায়ণ চন্দ্র জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক অফিসার, পুরস্কার পেলেন পঞ্চমবার আমতলী থানার সাফল্যের স্বীকৃতি, টানা দ্বিতীয়বার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ইয়াকুব হোসাইন ফতুল্লায় চুনোপুঁটি আসমা গ্রেপ্তার, অধরা মূল হোতা শীর্ষ মাদক সম্রাট মনু সাধু আমতলীতে চুরি-ডাকাতি, মাদক, জুয়া, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং দমনে গ্রাম পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা বন্দরে বিপুল দেশীয় অস্ত্রসহ ‘কুখ্যাত ডাকাত’ খোকন চোক্কাসহ ৩ জন গ্রেফতার বন্দরে পূজার মেলায় ৩ যুবককে পিটিয়ে জখম, থানায় অভিযোগ ফতুল্লায় ভুল চিকিৎসায় ‘মেডি স্টার’ হাসপাতালে মা ও গর্ভের সন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যু ফতুল্লায় ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক রাসেলকে খুনের হুমকি দেওয়ানগঞ্জ প্রাইভেট কারে মিলল ২১৫ বোতল ভারতীয় মদ, আটক ২ বন্দরে দেশীয় অস্ত্রসহ মামুন ডাকাতের দুই সহযোগী গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার

ফতুল্লায় চুনোপুঁটি আসমা গ্রেপ্তার, অধরা মূল হোতা শীর্ষ মাদক সম্রাট মনু সাধু

উজ্জীবিত বাংলাদেশ ডেস্ক / ৫৯ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় চার কেজি গাঁজাসহ আসমা বেগম (৩৭) নামের এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এই চক্রের নেপথ্যে থাকা মূল হোতা ও চিহ্নিত শীর্ষ মাদক সম্রাট মনু সাধু এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেছেন।

​গত রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকার গুদারাঘাট টোল আদায়ের ঘরের সামনে থেকে অভিযান চালিয়ে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​গ্রেপ্তারকৃত আসমা বেগম সোনারগাঁ থানার নয়াপুর এলাকার মৃত আবু কালামের মেয়ে এবং ইলিয়াসের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের একটি দল ধর্মগঞ্জ গুদারাঘাট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় আসমা বেগমকে আটক করা হয় এবং তল্লাশি চালিয়ে চার কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এদিকে এলাকা জুড়ে আলোচনা ও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে গ্রেপ্তারকৃত আসমা বেগম কেবলই একজন বাহক বা খুচরা বিক্রেতা হিসেবে কাজ করতেন। এই পুরো সিন্ডিকেটের মূল নিয়ন্ত্রক ও ডিলার হলেন ফতুল্লার আনন্দবাজার ও বক্তাবলী এলাকার শাইজুদ্দিন বেপারীর ছেলে শীর্ষ মাদক সম্রাট ‘মনু সাধু’।

​মনু সাধুর অধীনে আসমা বেগমসহ একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লা, বক্তাবলী ও আশপাশের এলাকাগুলোতে মাদকের জাল বিস্তার করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, কেবল চুনোপুঁটি বা বাহকদের গ্রেপ্তার করে এলাকাকে মাদক মুক্ত করা সম্ভব নয়। মূল হোতা মনু সাধুকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে ফতুল্লা ও বক্তাবলী এলাকায় মাদকের এই ভয়াবহ আগ্রাসন বন্ধ করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। তাঁরা অনতিবিলম্বে মূল চক্রের হোতা মনু সাধুকে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর