শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
সোনারগাঁয়ে ১৭০২ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ আলীগঞ্জে একাব্বর মাতবর ফাউন্ডেশন (আবু বাড়ি) শুভ উদ্বোধন, আব্দুল ওয়াহেদ সভাপতি ও মো. সাখাওয়াত জেলা পরিষদ সংলগ্ন কাইস্যাবাড়ি এলাকায় মুন্নুর জমজমাট মাদক ব্যবসা খেলা’ ছেড়ে ‘যুদ্ধের’ ডাক শামীম ওসমানের কবরস্থানের নামকরণ ও জমির মালিকানা নিয়ে কলমাকান্দায় দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ৫৬ আমতলীতে ছোনাউঠা-নীলগঞ্জের মানুষের পাশে হাওলাদার সমাজ কল্যাণ সংস্থা, কাঠের ব্রিজ নির্মাণে ২০ হাজার টাকা সহায়তা দেলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক জুয়েল রানার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির দৌড়ে মির্জা ফখরুল, ছাড়লেন মন্ত্রিত্ব ও মহাসচিব পদ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে: রাত ৮টায় দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ নারায়ণগঞ্জের এসপি মিজানুর রহমান মুন্সীকে হাইওয়ে পুলিশে বদলি

নেত্রকোণায় বালস নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, ক্ষতির মুখে নদীপাড়ের জমি ও গ্রামীণ সড়ক

মোঃবাবুল, নেত্রকোণা / ২৯৯ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন

নেত্রকোণা সদর উপজেলার ১১ নম্বর কেগাতী ইউনিয়নের গোমাই নদীর একটি অংশ বালস নদী এলাকায় প্রশাসনের নজর এড়িয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, রাতের আঁধারে ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে একটি প্রভাবশালী চক্র নদী থেকে বালু তুলে বিক্রি করছে। এতে নদীপাড়ের বৈধ মালিকানাধীন জমি, কৃষিজমি, কবরস্থান এবং এলাকাবাসীর চলাচলের একমাত্র কাঁচা সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন। এলাকাবাসীর ভাষ্য, দেওপুর গ্রামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি চক্র দামড়িহালা বাজার সংলগ্ন নদীর পশ্চিম পাশের হরিদাসপুর (বডের কান্দা), ছেওপুর ও কাকিয়াকুড়ি এলাকার নদী অংশ থেকে নৌকার মাধ্যমে বালু উত্তোলন ও মজুত করছে। পরে দিন ও রাতের বিভিন্ন সময়ে ট্রাক ও লড়িতে করে জেলার বিভিন্ন স্থানে ওই বালু সরবরাহ করা হচ্ছে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিন কয়েকটি যানবাহনের মাধ্যমে এসব বালু পরিবহন করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে নদীভাঙন ও জমি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অবৈধ বালু উত্তোলনে বাধা দিতে গেলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে ভয়ভীতি ও হামলার হুমকি দেওয়া হয়। ফলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগলেও প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।

 

স্থানীয়দের দাবি, একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা হলেও কার্যকর সমাধান মেলেনি। অতীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা ও জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়া হলেও অবৈধ কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

এ বিষয়ে ১১ নম্বর কেগাতী ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নাইব) জানান, বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে বালু আটক, মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে। তবে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসন কাজ করছে এবং বিষয়টি নজরদারিতে রয়েছে।

অন্যদিকে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা (এসিল্যান্ড) বলেন, অভিযোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর