রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
আমতলীতে চুরি-ডাকাতি, মাদক, জুয়া, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং দমনে গ্রাম পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা বন্দরে বিপুল দেশীয় অস্ত্রসহ ‘কুখ্যাত ডাকাত’ খোকন চোক্কাসহ ৩ জন গ্রেফতার বন্দরে পূজার মেলায় ৩ যুবককে পিটিয়ে জখম, থানায় অভিযোগ ফতুল্লায় ভুল চিকিৎসায় ‘মেডি স্টার’ হাসপাতালে মা ও গর্ভের সন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যু ফতুল্লায় ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক রাসেলকে খুনের হুমকি দেওয়ানগঞ্জ প্রাইভেট কারে মিলল ২১৫ বোতল ভারতীয় মদ, আটক ২ বন্দরে দেশীয় অস্ত্রসহ মামুন ডাকাতের দুই সহযোগী গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার বন্দরে ​মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায়,পুড়িয়ে দেওয়া হলো ‘ফুলের বাগান রেস্টুরেন্ট’ অগ্রবাণী প্রতিদিনের প্রকাশক-সম্পাদক স্বপন কুমার পোদ্দার আর নেই লক্ষীনারায়ণ দুর্গা মন্দিরে বিসর্জন নয়, চলবে নিত্যপূজা: টনি মল্লিক

নেত্রকোণায় বালস নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, ক্ষতির মুখে নদীপাড়ের জমি ও গ্রামীণ সড়ক

মোঃবাবুল, নেত্রকোণা / ৩৪০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন

নেত্রকোণা সদর উপজেলার ১১ নম্বর কেগাতী ইউনিয়নের গোমাই নদীর একটি অংশ বালস নদী এলাকায় প্রশাসনের নজর এড়িয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, রাতের আঁধারে ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে একটি প্রভাবশালী চক্র নদী থেকে বালু তুলে বিক্রি করছে। এতে নদীপাড়ের বৈধ মালিকানাধীন জমি, কৃষিজমি, কবরস্থান এবং এলাকাবাসীর চলাচলের একমাত্র কাঁচা সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন। এলাকাবাসীর ভাষ্য, দেওপুর গ্রামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি চক্র দামড়িহালা বাজার সংলগ্ন নদীর পশ্চিম পাশের হরিদাসপুর (বডের কান্দা), ছেওপুর ও কাকিয়াকুড়ি এলাকার নদী অংশ থেকে নৌকার মাধ্যমে বালু উত্তোলন ও মজুত করছে। পরে দিন ও রাতের বিভিন্ন সময়ে ট্রাক ও লড়িতে করে জেলার বিভিন্ন স্থানে ওই বালু সরবরাহ করা হচ্ছে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিন কয়েকটি যানবাহনের মাধ্যমে এসব বালু পরিবহন করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে নদীভাঙন ও জমি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অবৈধ বালু উত্তোলনে বাধা দিতে গেলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে ভয়ভীতি ও হামলার হুমকি দেওয়া হয়। ফলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগলেও প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।

 

স্থানীয়দের দাবি, একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা হলেও কার্যকর সমাধান মেলেনি। অতীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা ও জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়া হলেও অবৈধ কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

এ বিষয়ে ১১ নম্বর কেগাতী ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নাইব) জানান, বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে বালু আটক, মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে। তবে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসন কাজ করছে এবং বিষয়টি নজরদারিতে রয়েছে।

অন্যদিকে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা (এসিল্যান্ড) বলেন, অভিযোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর